নিজস্ব সংবাদদাতা:
কোনও তদন্তকেই প্রভাবিত করে না বিজেপি। প্রধানমন্ত্রীর সভা মঞ্চ থেকে এমনই দাবি করলেন মুকুল রায়। সম্প্রতি চিট ফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই ও ইডি-র তৎপরতা বেড়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন সাংবাদিক সুমন চট্টোপাধ্যায় ও চলচ্চিত্র প্রযোজক শ্রীকান্ত মোহতা। তল্লাশি চালানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মানিক মজুমদারের বাড়িতে। পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাসভবনের সদোর দরজা পর্যন্ত পৌঁছেছেন গোয়েন্দারা। আগামীকাল শিলং-এ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তাঁরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বলেছেন, নির্বাচনের মুখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে সিবিআইকে সক্রিয় করেছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। শুক্রবার ময়নাগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগেরই জবাব দিলেন মুকুল। বললেন, সারধা কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকেও ডেকেছিল সিবিআই। তারপরও তিনি দু’বছর তৃণমূলে ছিলেন। কিন্তু সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করেনি। মুকুলের বক্তব্য, রাজনৈতিক অভিসন্ধি চরিতার্থ করার হলে বা সিবিআই বিজেপির অঙ্গুলি হেলনে চললে তখনই তাঁকে গ্রেফতার করতে পারত তারা।
তৃণমূল কংগ্রেসে মুকুল ছিলেন সেই ব্যক্তি যিনি দলনেত্রীর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। অন্তত এটাই সাধারণ ধারণা। এমনকি মমতা নিজেও প্রকাশ্য জনসভায় বলেছেন যে মুকুলকে তিনি দিনে পাঁচশ বার ফোন করেন, পার্থকে দু’শোবার, বক্সীকে (সুব্রত) কখনও কখনও। দলনেত্রীর এই বক্তব্যেই পরিস্কার যে তাঁর কাছে মুকুলের গুরুত্ব কতটা।
এদিন মুকুল বলেন, “আমার জন্যে আমার নেত্রী ধর্নায় বসেননি।” মুকুলের বক্তব্যে স্পষ্ট, দল বা সরকারের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি মমতার কাছে ঠিক ততটাও গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা গোয়েন্দাদের নজরে থাকা একজন পুলিশ অফিসার!
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news