নিজস্ব প্রতিনিধি :
৩২ নম্বর বাদ দিয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় কখনওই পাস করা যায় না। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রথম দিন থেকে এই কথা বলে আসছেন মুকুল রায়। তাঁর কথায়, “নির্বাচন তো জিততে হবে। সংখ্যালঘুদের এক পাশে সরিয়ে রাখলে তা কী সম্ভব!” তাঁর মোদ্দা কথা ভোটের হিসেব করার সময় সংখ্যালঘুদের ধরেই সেই হিসেব করতে হবে। মোদি সরকার কি ভাবে উন্নয়নের কাজ করছে এবং তা কি ভাবে সরাসরি দেশের সংখ্যালঘুদের কাজে লাগছে, এই সংক্রান্ত প্রচারেও জোর দেন তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ যে দীর্ঘদিন ধরে অতি যত্নে লালিত একটি ভ্রম, সে কথা রাজ্যের সংখ্যালঘুদের কাছে পৌঁছে দিতেও উদ্যোগ নেন মুকুল।
এমনকি বিজেপির বঙ্গীয়করনের প্রয়োজনীতাও বোধ করেন তিনি। সম্ভবত সেই কারনে, জয় শ্রীরামের পাশাপাশি বাংলার মাটিতে জয় মা তারা কিংবা জয় মা কালী ধ্বনি তোলার কথাও বলেন তিনি।
এ কথা ধরে নেওয়াই যায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুমোদন সাপেক্ষেই মুকুল এসব করেছেন।
২০১৯ – এর নির্বাচনে বিজেপির ঘোষিত লক্ষ্য ২২ টি লোকসভা আসন। তা বাস্তবায়িত করা যে সহজ কাজ নয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে বিজেপির শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য, কাজ কঠিন হতে পারে তবে অসম্ভব নয়। উত্তরপ্রদেশে বিজেপির বিপুল জয়ের কারিগর অমিত শাহ প্রত্যয়ের সঙ্গে বলছেন, ‘দেখে নেবেন তৃণমূলকে উঠিয়ে ফেলে দেব।’ আগামী বিধানসভায় যদি তৃণমূলকে উঠিয়ে ফেলে দিতেই হয় তাহলে উনিশে লোকসভা নির্বাচনেই সেই মহাযজ্ঞের সলতে পাকাতে শুরু করতে হবে বিজেপিকে। আর উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনের ধরন আর এই রাজ্যের ধরন এক নয়।
মুকুলের তত্ত্ব মেনে নিচ্ছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। রামলাল, সুরেশ পুজারিরা মুকুলের ফর্মুলায় স্বীকৃতি দিচ্ছেন বলেই খবর। কৈলাস বিজয়বর্গীয়ও মুকুলের সঙ্গে একমত। তাঁর কথা মতো দলের সংখ্যালঘু সেলকে আরও বেশি মজবুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিয়ো পেতে চ্যানেল হিন্দুস্তানের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
https://www.youtube.com/channelhindustan
https://www.facebook.com/channelhindustan
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news