জয় ঘোষ:
দীর্ঘ কয়েক মাস পর সোমবার ফের এক মঞ্চে দেখা গেল গেরুয়া শিবিরের দুই শীর্ষ নেতা দিলীপ ঘোষ ও মুকুল রায়কে। সৌজন্যে সব্যসাচী দত্তের গণেশ পুজো। বেশ হাসিখুশি মেজাজেই দিলীপ-মুকুলকে দেখা যায় এদিন। আর তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়ে গিয়েছে গুঞ্জন, তা হলে কি দিলীপ-মুকুল দ্বন্দ্ব মিটে গেল? প্রশ্ন উঠছে, এই ছবি কী আবারও দেখা যাবে? বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপেই কি দিলীপ-মুকুলকে এক ছাতার তলায় দেখা গেল? বস্তুত রাজ্য রাজনীতিতে এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।
বিজেপি সূত্রে খবর, দিলীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠমহলে নাকি বলেছেন, ২০২১ সালে বাংলা দখলে করতে গেলে মুকুল রায়ের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে হবে। কারণ বিজেপির কাছে সময় খুব কম। মাত্র ২ বছরের মাথায় বিধানসভা ভোট। অন্যদিকে বাংলার ২৯৪টি লোকসভা এলাকাকে হাতের তালুর মত চেনেন মুকুল রায়। এছাড়াও লোকসভা নির্বাচনের পর বিধানসভাতেও রাজ্যে ভালো ফল হলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দিলীপের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। আবার খারাপ ফল হলেও দায় বর্তাবে দিলীপ ঘোষের উপরেই। অতএব, সব দিক ভেবে মুকুল রায়কে সঙ্গে নিয়েই ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের বৈতরণী পার করতে চাইছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
জানা গিয়েছে, এই ভাবনা থেকেই বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় সহ বিজেপির সমস্ত জেলা সভাপতি তথা রাজ্য কমিটির সমস্ত নেতৃত্বকে কড়া নির্দেশ পাঠানো হয়েছে, সাংগঠনিক কাজে বড় সমস্য হলে মুকুল রায়ের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।
বিজেপি সূত্রে খবর, দলের উচ্চ নেতৃত্ব বুঝেছে কাজটা মুকুলকে দিয়েই হবে। এক সময় তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কামান্ড ছিলেন মুকুল। তিনিই তৃণমূলের হয়ে ভোট করাতেন। তাই পাল্টা মুকুল রায়কে দিয়েই বাজিমাত করতে চাইছে গেরুয়া শিবির। আর সে কারণেই এখন দিলীপ ঘোষ থেকে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়, সকলেই মুকুল রায়কে আলাদা করে গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারণ তাঁকে সারথি করেই ২০২১-এ বাংলার দখল চায় বিজেপি।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news