চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
মে মাসে ২ কোটি ১০ লক্ষ মানুষ কাজে যোগ দিয়েছেন বা ফিরে এসেছেন বলে রিপোর্ট প্রকাশ করল বেসরকারি সমীক্ষক সংস্থা ‘সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি’ (CMIE)। বেকারত্বের হার এখনও উল্লেখযোগ্য ভাবে কম থাকলেও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ফিরে আসার এই চিত্র অনেকটাই আশা জাগাবে বলেই মত প্রকাশ করেছে সিএমআইই। চলতি বছর করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে লকডাউন জারি করতে বাধ্য হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। ২২ মার্চ ‘জনতা কারফিউ’-এর ঘোষণা করেন তিনি। কিন্তু, ২৪ মার্চ রাতে পুরোপুরি লকডাউন ঘোষণা করে দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই থেকে কর্মক্ষেত্রে কোপ পড়তে শুরু করে। মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহের পর এপ্রিল মাস জুড়ে লকডাউন চলার পর জানা যায় লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মহীন হওয়ার কথা। কিন্তু, নতুন এই সমীক্ষার রিপোর্ট স্বস্তি দিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে (Narendra Modi Govt.)।
চাকরি ক্ষেত্রের ছবিটা আশাপ্রদ বলে মনে করছেন সিএমআইই-র বিশেষজ্ঞরা। সংস্থার প্রধান মহেশ ব্যস বলেছেন, ‘‘এপ্রিলে যাঁরা সক্রিয় কর্মসংস্থান ক্ষেত্র থেকে অনেকেই কার্যত ঘরে বসে পড়েছিলেন, মে মাসে তাঁদের অনেকেই আবার ফিরে এসেছেন। এপ্রিলে বিরাট আকারের ছাঁটাইয়ের কারণে চাকরির বাজার থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁদের কর্মহীনের খাতায় ধরা হয়েছিল।’’ তাঁর মতে, ‘‘মে মাসে সেই শ্রমিক-কর্মীদেরই একটা বড় অংশ ফিরে এসেছেন, কাজ খুঁজতে শুরু করেছেন।’’
সমীক্ষা সংস্থা আইসিএমই-র মতে, ভারতের মতো সুবিশাল দেশে মাস মাইনের মতো পাকা চাকরি পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। সেই তুলনায় অসংগঠিত ক্ষেত্রে কিছুটা সহজ। সিএমআইই-র অধিকর্তা মহেশ ব্যাস বলেছেন, “মাসমাইনের চাকরি পাওয়া যেমন কঠিন, তেমনই লকডাউনের সময় এই রকম চাকরি যাঁরা হারিয়েছেন, তাঁদের সেটা ফিরে পাওয়াও কঠিন।’’ তিনি আরও বলেছন, ‘‘এপ্রিলের তুলনায় মে-তে কর্মসংস্থানের মূল সূচক কিছুটা ভাল হলেও মোটের উপর এই ক্ষেত্র এখনও লকডাউনের আগের তুলনায় দুর্বল।’’
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news