Breaking News
Home / TRENDING / ত্রাণ বন্টনে যুক্ত থাকা যাবে না, নেতাদের নির্দেশ দিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব

ত্রাণ বন্টনে যুক্ত থাকা যাবে না, নেতাদের নির্দেশ দিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

‘দলগতভাবে আর ত্রাণ বন্টন করা চলবে না। যে ত্রাণই দেওয়া হোক না কেন সবই হবে সরকার স্তর থেকে। ত্রাণ নিয়ে রাজনীতির অভিযোগ এলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’ এমনই কড়া অবস্থানের কথা জানিয়ে দিল তৃণমূল (TMC) শীর্ষ নেতৃত্ব। মঙ্গলবার রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলা সভাপতি ও বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব ত্রাণ নিয়ে সাবধানে থাকতে বলেছেন জেলা সভাপতি ও বিভিন্ন শাখা সংগঠনের প্রধানদের। প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) জেরে শুরু হওয়ার লকডাউন তথা আমফান ঘূর্ণিঝড় (Amphan Cyclone Strom) পরবর্তী পরিস্থিতিতে ত্রাণ নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি যে দলের ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছে তা জেনেছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দলের শীর্ষ নেতারা। তাই এদিন স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দূরে থাকতে হবে ত্রাণ বন্টন থেকে। ত্রাণ বন্টনের বিষয়টি দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার।

আগামীকাল তৃণমূলের সমস্ত জেলার সভাপতিরা পৃথকভাবে সাংবাদিক সম্মেলন করবেন। করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে, লকডাউনে জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে কি কি পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছে কর্মহীন মানুষের কাছে। এবং আমফান ঘূর্ণিঝড়ের পর মুখ্যমন্ত্রী তৎপরতার সঙ্গে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন তাও উল্লেখ করতে হবে জেলা সভাপতিদের। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপি দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে তারও জবাব দিতে হবে তাদের।

এরপর বিধায়করা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন। ৫-১০ জুন সমস্ত বিধায়কদের সাংবাদিক সম্মেলনের কর্মসূচি শেষ করে ফেলতে হবে। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন বিধায়ক নিজে নিজে বিধানসভায় সাংবাদিক সম্মেলন করবেন। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বিধানসভা এলাকায় রাজ্য সরকার কি কি উন্নয়নের সঙ্গে সমাজকল্যাণমূলক কাজ করেছেন তা তুলে ধরাই হবে মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি, বিজেপির (BJP) সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও রাজ্য সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করে যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পরিকাঠামো আঘাত করছে কেন্দ্রীয় সরকার, তাও সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরতে হবে। প্রত্যেক বিধায়ককে নিজ নিজ এলাকায় মনোনিবেশ করতে বলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য এলাকায় গিয়ে নাক গলানো চলবে না।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *