প্রসেনজিৎ মাহাতো:
লক্ষ্মীবারের মিনি ডার্বিতে বিরিয়ানির খুশবু ছড়ালো মহমেডান। ২০০৪ সালের পর আবার মিনি ডার্বিতে সাদা–কালো ধ্বজা ওড়াল মহমেডান।
মোহনবাগানের স্প্যানিশ আমার্ডা ভেঙে খানখান এক বাঙালি মগজাস্ত্রে। মহমেডান টিডি দীপেন্দু বিশ্বাসের ক্যারিশ্মায় ম্লান মোহনবাগান। ৩–২ গোলে মোহনবাগানকে হারালো মহমেডান।
শুরুতেই ধাক্কা খায় মোহনবাগান। মিনিট দশেকের মধ্যেই দু’গোল হজম করে কিবু ভিকুনার দল। ব্রায়ান লারার দেশের ডিফেন্ডার ড্যানিয়েল সাইরাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বাগান সমর্থকদের মধ্যে। ৭ মিনিটে করিম ওমোলোজার গোলে এগিয়ে যায় মহমেডান। তার মিনিট তিনেক বাদেই তীর্থঙ্কর সরকারের গোলে ০–২ পিছিয়ে পড়ে মোহনবাগান।
মহমেডানের বাঙালি টিডির মগজাস্ত্র এবং বঙ্গসন্তান ফুটবলারদের ঝিলিকে তখন অন্ধকারে কিবুর স্প্যানিশ ব্রিগেড। মহমেডানের তীর্থঙ্কর দারুণ ছন্দে ছিলেন। ওঠানামা করে খেলে বাগান রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছিলেন। মোহনাগান মাঝমাঠ ফ্লপ। চামোরোকে দ্বিতীয়ার্ধে নামান বাগান কোচ।
২৪ মিনিটে ২৫ গজ দূর থেকে ফ্রিকিক থেকে বেইতিয়ার দারুণ গোলে ১–২ করে মোহনবাগান। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১–২ ফলাফলে। দ্বিতীয়ার্ধে বাগানের খেলায় আক্রমণে বাড়ে। কিন্তু ৬১ মিনিটে চিডি গোল করে মহমেডানের ব্যবধান বাড়ান (৩–১)। এরর শুভ ঘোষকে মাঠে নামান কিবু।
৭০ মিনিটে বেইতিয়ার ফ্রি–কিকে মাথা ছুঁইয়ে ২–৩ করে ব্যবধান কমান চামোরো। বাগানের সাইডব্যাক চুলোভাকে আটকে দেন বিপক্ষের ছাংতে। বাগানের উইং প্লে হয়নি ঠিকঠাক এ দিন। ম্যাচটা দু’দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
ম্যাচের আগের দিন দীপেন্দু বিশ্বাস বলেছিলেন, মোহনবাগান ম্যাচ জিততে পারলে ইনসেনটিভ দেবেন। ম্যাচ জিতে খুশি তীর্থঙ্কররা। অন্যদিকে ম্যাচ হেরে খেতাব দৌড় থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ল মোহনবাগান।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news