নিজস্ব সংবাদদাতা।
রাজভবনের রুদ্ধদ্বার বৈঠক হল মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী। শনিবার দুপুরে বিমানে দিল্লি থেকে কলকাতায় আসেন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। সেখান থেকেই সোজা পৌঁছে যান রাজভবন। রাজ্য সরকারের পক্ষে দমদম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে যান কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, রাহুল সিনহা ও সাংসদ অর্জুন সিং। পরে প্রধানমন্ত্রী রাজভবন পৌছলে সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান মুখ্যমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে তৃণমূলের (TMC) পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, “এটি সরাসরি বলা দরকার য আজকের বৈঠকটি কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে রাজ্য সরকারের। এবং তৃণমূলের কারও কাছ থেকে শংসাপত্রের দরকার নেই। আমরা আন্দোলনটি শুরু করেছি এবং এখন এটি মানুষের আন্দোলন। আপনি কত মিছিল করেছেন? আপনি কত প্রতিবাদ নেতৃত্ব দিয়েছেন? কোনও সোফায় বসে পরামর্শ দেওয়া বন্ধ করুন।”
প্রধানমন্ত্রীর দু’দিনের কলকাতা সফর ঘোষণার পর থেকেই উত্তেজনার পারদ ছিল চরমে। শুক্রবার নবান্ন সূত্রে জানা যায়, সাক্ষাৎ করতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় চিঠি পাঠিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর। এরই মাঝে বাম-কংগ্রেসের বনধের বিরোধিতা করে নিজের দিল্লি যাত্রা স্থগিত করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। জানিয়ে দেন, বাংলায় কংগ্রেস ও বামেদের বনধে যে গুন্ডামি হয়েছে তার বিরোধিতা করেই তিনি সোনিয়া গাঁধীর (Sonia Gandhi) ডাকা বৈঠকে যাচ্ছেন না।
বামপন্থী ও কংগ্রেসের (Leftfront and Congress) পক্ষে আক্রমণ শুরু হয় মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাৎপ্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে খুশী করতেই বিরোধীদের ডাকা বৈঠক বয়কট করেছেন। আপাতত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৈঠক সেরে বেরিয়ে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোয়া পাঁচটা নাগাদ তিনি যাবেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ধর্না মঞ্চে। সেখানে নরেন্দ্র মোদীর সরকারের বিরুদ্ধে সিএএ (CAA) ও এনআরসির (NRC) বিরুদ্ধে সরব হবেন তিনি।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news