নীল রায়।
মিশন ২০২১ ! প্রত্যাশা মতোই জনমুখী বাজেট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বার বার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে ‘পাইয়ে দেওয়া’র রাজনীতি করার। কাউকে তোয়াক্কা না করে সোমবার দুপুরে রাজ্য বিধানসভায় অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রর বাজেটের পাতায় পাতায় ‘দান খয়রাত’-এর অভিযোগ তুলল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস শিবির। কিন্তু, ২০২০ সালের একঝাঁক পৌর ভোট ও আগামী বিধানসভা ভোটের লক্ষ্যেই যে এই বাজেট, তা মানছেন রাজনীতির কারবারিরা।
এদিন বাংলার চা-শ্রমিকদের জন্য নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। রাজ্যজুড়ে প্রায় তিন লক্ষাধিক চা-শ্রমিককে স্থায়ী বাসস্থান দিতে সোমবার রাজ্য বাজেটে ‘চা-সুন্দরী’ প্রকল্পের ঘোষণা হল অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। বাজেট পেশের পরে দেখা গেল চা-শ্রমিকদের জন্য জনমোহিনী প্রকল্প নিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার। চা-শ্রমিকদের পাকাপাকি মাথা গোঁজার ঠাঁই দিতে রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প ‘চা-সুন্দরী।’ প্রকল্পের আওতায় আগামী তিন বছর রাজ্য সরকার চা-বাগানে স্থায়ীভাবে কর্মরত গৃহহীন শ্রমিকদের আবাসনের ব্যবস্থা করবে। তারজন্য আগামী অর্থবর্ষে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
‘হাসির আলো’। যে প্রকল্পের আওতায় বাংলার ৩৫ লক্ষ গরিব পরিবারকে তিন মাসে ৭৫ ইউনিট বিদ্যুৎ বিনামূল্যে দেবে রাজ্য সরকার। এ জন্য বাজেটে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী।রাজ্য বাজেটে নতুন ‘বাংলাশ্রী’ ও ‘কর্মসাথী’ প্রকল্পের ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। এই প্রকল্পে ছোট শিল্প বা ব্যবসা করার জন্য রাজ্যে বেকার যুবকদের দু’লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে বলে ঘোষণা করা হল।
প্রথমটি, তফসিলি জাতির জন্য ‘বন্ধু’ প্রকল্প। এই প্রকল্পে বলা হয়েছে, রাজ্যের ৬০ বছরের বেশি বয়সের তফসিলি জাতির মানুষ, যাঁরা কোনও পেনশন পান না, এরকম ১০০ শতাংশ মানুষকে প্রতি মাসে হাজার টাকা করে বার্ধক্য ভাতা দেওয়া হবে। এর ফলে আনুমানিক ২১ লক্ষ তফসিলি জাতির মানুষ উপকৃত হবেন বলে দাবি করা হয়েছে বাজাটে। এই খাতে আগামী অর্থবর্ষে ২,৫০০ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news