ওয়েব ডেস্ক
মেরিলিন মনরো নামটাই যেন কৌতুহলে মোড়া। যার সৌন্দর্য মাথা ঘুড়িয়ে দেওয়ার মতো। শুধু তাই নয় পঞ্চাশের দশকে ‘সেক্স সিমবল’ হয়ে উঠেছিলেন এই সুন্দরী। অভিনয় দক্ষতার সঙ্গে সঙ্গে যৌনতার প্রতীক হিসেবে গোটা বিশ্বে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে মার্কিন অভিনেত্রী মেরিলিন মোনরো।
৫অগাস্ট ১৯৬২ সালে মৃত্যু হয় তাঁর। আজ মৃত্যুর পাঁচ দশক পরেও মনরোকে নিয়ে উঠে এল এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ‘মেরিলিন: দ্যা প্যাশন অ্যান্ড প্যারাডক্স’ নামে তাঁর সাম্প্রতিক একটি বইয়ে দাবি করেন, নাতাশা লাইটেস নামে এক জার্মান মহিলা অভিনয়ের প্রশক্ষণ দিতেন। সেই মহিলার সঙ্গেই প্রায় বছর দু’য়েক সম্পর্কে ছিলেন মেরিলিন। ওই মহিলার সঙ্গে সমকামী সম্পর্কে ছিলেন মনরো।
বার তিনেক বিয়ে করলেও মনরো নিজে বার বার স্বীকার করেছেন বিভিন্ন অভিনেত্রীর সঙ্গে তাঁর সমকামী সম্পর্কের কথা। তবে নাতাশার সঙ্গে সম্পর্কটি এতদিন অজানা ছিল সাধারণের। নাতাশার লেখা একটি চিঠি, মনরোর জিন্স, কিছু রত্ন, এবং কানের দুল এবার নিলামে উঠছে।
এই জিন্সই নাকি কাছের বন্ধু নাতাশাকে উপহার দিয়েছিলেন মেরিলিন মনরো। তবে চিঠিতে সমকামী সম্পর্কের কথা কিছু লেখা নেই। এক সাক্ষৎকারে লাইটেস তাঁদের সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন।
মনরো স্বীকার করে বলেছিলেন, “আমি নাতাশার শয্যাসঙ্গিনী।” তিনি এও বলেন, যাদের ভালবাসা হয় তাঁদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক তো হতেই পারে। এতে দোষের কী আছে!
নাতাশাও এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, “মনরোর সঙ্গে আমার আলাপ ১৯৪৬ সালে। সেইসময় মনরো ছিল মাত্র ২০ বছরের। সুন্দরী ছিল না মোটেই। খুব ভীতু প্রকৃতির ছিল মেরিলিন।”
লাইটেস আরও জানান, “বাড়িতে সারাদিন নগ্ন হয়ে থাকত মেরিলিন। এতটুকু বাড়িয়ে বলছি না, ও নগ্ন হয়ে থাকতেই পছন্দ করত।”
তবে নাতাশা এও জানান, “যৌনতার ঊর্ধ্বে কোথাও শিশুর মতো কাঙাল ছিল মেরিলিন।”
এমনকী নিজে নাতাশার কাছে ঋণী ছিলেন বলেও স্বীকার করেন মেরিলিন মনরো।
লাইক শেয়ার ও মন্তব্য করুন
বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিয়ো পেতে চ্যানেল হিন্দুস্তানের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news