জয় ঘোষ
“রাষ্ট্রকে মুক্ত করার জন্য এই বিল আনা হচ্ছে। রাষ্ট্রের সুরক্ষার জন্য কাশ্মীর ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকার এই বিল পাশ করেছে। এখানে পদ্ধতিগত কোনও ত্রুটি নেই। মুখ্যমন্ত্রী যদি এই বিলের পদ্ধতিগত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তা হলে এটা অবান্তর কাজ।” মঙ্গলবার চেন্নাই রওনা হওয়ার আগে বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি বিলের যৌক্তিকতা নিয়ে কোনও কথা বলছি না। তবে যেভাবে তা সংসদে পেশ করা হল তা সাংবিধানিক, আইনি ও প্রথাগত দিক থেকে কোনওভাবেই প্রশংসাযোগ্য নয়। গণতান্ত্রিকও নয়। সেই কারণেই তৃণমূল বিলে সমর্থন করেনি। নাহলে মনে হবে এই অন্যায়কে আমরা মেনে নিলাম”। মুখ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের বিরোধিতা করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, “যেখানে রাষ্ট্রের সমস্ত মানুষ চাইছে। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ হোক। সেখানে পদ্ধতি নিয়ে তর্ক তোলার কোনও মানেই নেই। মানুষের রায়ে প্রবল সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে মোদিজির সরকার ক্ষমতা এসেছে। যা কাজ করছে। তা রাষ্ট্রহিতে করছে।”
এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “বিপুল সমর্থন নিয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এই সরকার কিছু দলীয় স্বার্থে চরিতার্থ করতে। আর কিছু ব্যক্তিস্বার্থ চরির্থত করতে বিধানসভাকে ব্যবহার করে বার বার অনৈতিক বিল আনছে। যদি পুরো বিধানসভা দেখা যায় তার মধ্যে দেখা যাবে এই বিলের মধ্যে উদ্দেশ্যহীন।” রাহুলের বক্তব্য, “শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস এর স্বার্থ চরির্থ করার বিল। অন্য রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে চাপানোর বিল। আমরা তো রাষ্ট্রের কাজ করছি।” ওমর আব্দুল্লাহ ও মেহেবুবা মুফতির গ্রেপ্তারী প্রসঙ্গে রাহুল সিনহা বলেন, ” রাজ্যের বিজেপি কর্মীরা কী জঙ্গী। আমাদের সব কটি জেলায় বিজেপির কয়েশো কর্মীদের গ্রেপ্তার করে জেলে পুরে রেখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে অনৈতিক ভাবে আমাদের জেলে পাঠায়। এখানে সেটা হয়নি।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news