নিজস্ব প্রতিনিধি :
তবে কি আবার পুরনো জৌলুস ফিরে পেতে চলেছে রাইটার্স বিল্ডিং ! আবার কি গমগম করে উঠবে রাইটার্সের অলিন্দ ! আবার কি মন্ত্রী-সান্ত্রীদের ভিড় দেখা যাবে রাইটার্সের ঘরে ঘরে ! সেই পুরনো ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে। ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর রাইটার্স ছেড়ে গঙ্গার ওপাড়ে চলে যায় রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক কার্যালয়। তখন সরকারিভাবে বলা হয়েছিল পুরনো এই হেরিটেজ বিল্ডিং এর সংস্কারের জন্যই প্রশাসনিক কার্যালয়ের স্থান পরিবর্তন করা হচ্ছে। ছয় মাসের মধ্যেই আবার এখানে ফিরে আসবে সব দফতর।
কিন্তু গল্প ছিল অন্য জায়গায়। শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীর খুব আস্থাভাজন এক জ্যোতিষীর কথাতেই হয়েছিল এই স্থান পরিবর্তন। এবং সেই জ্যোতিষের কথামতোই “নবান্ন”-ই হয়ে যায় স্থায়ী। ইতিমধ্যে সংস্কারের কাজও শুরু হয় রাইটার্সের। হেরিটেজ ঐতিহ্য বজায় রাখার জন্য ভেঙে ফেলা হয় বাম আমলে তৈরি করা দুটি অ্যানেক্স বিল্ডিং। ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় রাইটার্সের একেবারে প্রথম দিককার অবস্থা। নিয়োগ করা হয় বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের। শোনা গিয়েছিল যে সংস্কারের পর হয়তো মিউজিয়াম হিসাবে ঘোষণা করা হবে রাইটার্স কে। গত ৫ বছর ধরে চলেছে সংস্কারের কাজ। যদিও এই সময়কালে অল্প দুএকটা দফতর ও দুএকজন মন্ত্রী রাইটার্সেই বসতেন। তবে অতি সম্প্রতি রাজ্যের পূর্ত দফতরের এক টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পরেই জল্পনা ছড়িয়েছে, তাহলে হয়তো আবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে বসতে দেখা যাবে রাইটার্স বিল্ডিং এ। পূর্ত দফতর যে টেন্ডার আহ্বান করেছে সেই অনুযায়ী রাইটার্স বিল্ডিং এর জন্য ওয়াই-ফাই, সিসিটিভি সার্ভেইল্যান্স, ডাটা নেটওয়ার্ক এর সমস্ত সুবিধা দেওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোম্পানির কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শুধু মিউজিয়াম করার জন্যই কি এই দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে ? নাকি ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে পরে নবান্ন ছাড়তে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী ! কৌতুহল এখন নবান্ন জুড়েই।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news