নীল রায়। নির্বাচন কমিশন আচমকাই ভোট প্রচারে দিনক্ষণ একদিন কমিয়ে দেওয়ায় বেজায় খাপ্পা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত দুই দিনে রাজনৈতিক প্রচার কর্মসূচী স্থির হয়ে গিয়েছিল তাঁর। কিন্তু আচমকাই নির্বাচন কমিশনের ৩২৪ ধারা জারি করে নির্বাচনের দিনে কাটছাঁট করে। তাই দুদিনের কর্মসূচি একদিনে সারতে হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীকে। বুধবার রাতে কালীঘাটের বাসভবনে তড়িঘড়ি ডাকা সাংবাদিক সম্মেলনে নিজের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। বৃহস্পতিবারই যেনতেন প্রকারেণও প্রচার শেষ করতে হচ্ছে তৃণমূল নেত্রীকে। ১৬ মে দুপুর ১টায় মথুরাপুরে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা। মথুরাপুরের সভা সেরে তিনি চলে আসবেন ডায়মন্ড হারবারে। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে নির্বাচনী সভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নরেন্দ্র মোদীর জনসভা করে ভাইপো অভিষেকের বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ তুলেছেন, তারই জবাব দেবেন এদিনের মঞ্চ থেকে। এই সভা পরেই ঠাকুরপুকুর ৩এ বাস স্ট্যান্ড থেকে তারাতলা পর্যন্ত মিছিল করবেন মমতা। তারপর তিনি চলে আসবেন যাদবপুরে। সেখানে মিমি চক্রবর্তীর সমর্থনে সুকান্ত সেতু থেকে যাদবপুরের মিছিল করবেন তিনি। সুকান্ত সেতু থেকে যাদবপুর হয়ে ঢাকুরিয়া পর্যন্ত মিছিল ল্যান্সডাউন ঘুরে চক্রবেরিয়া হয়ে শেষ হবে কালীঘাটের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তর কলকাতার তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সত্যনারায়ন পার্কে জনসভার কর্মসূচি ছিল তৃণমূল নেত্রীর। নির্বাচন কমিশনের কোপে পড়ে সেই কর্মসূচি পুরোপুরি বাদ দিয়েছেন মমতা। জানিয়ে এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তার করে দিয়েছেন কমিশনের বিরুদ্ধে। অভিযোগের সুরে মমতা বলেছেন, “নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ, যোগী ভোগীদের প্রচারের ক্ষেত্রে কোনও বিধি নিষেধ আরোপ করেননি নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস সহ সমস্ত বিরোধী দলের প্রচারের ক্ষেত্রে কখনও সরাসরি, কখনও ঘুরপথে বাধা সৃষ্টি করেছে কমিশন।” অন্যদিকে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে দক্ষিণ কলকাতা এলাকায় তৃণমূল নেত্রীর মিছিলের কারণে ব্যাপক যানজটের আশঙ্কা রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news