নীল রায়:
এবার আর হাটে হাড়ি ভাঙার হুমকি নয়। চেনা ছকেই অধীর চৌধুরীকে আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কদিন আগেও বেলডাঙার মাটিতে দাঁড়িয়ে অধীর চৌধুরীর হাড়ি হাটে ভাঙার হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। জবাবে কালীঘাটের বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের সোনা পাচার কাণ্ডের কথা উল্লেখ করে খোঁচা দিয়েছিলেন অধীর চৌধুরীও। তাই এদিনের জনসভায় সেই হুঙ্কার আর শোনা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীর কণ্ঠে। বরং চেনা কৌশলে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কান্দির জনসভায় মমতা বলেন, ‘ভোটের সময় ছাড়া কদিন বহরমপুরে থাকেন সাংসদ? কেবল মুখে বড় বড় কথা বলেন, তৃণমূলের নামে কুৎসা করেন। বহরমপুর ও জঙ্গিপুরে কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছে আরএসএস।’
প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক মহল মনে করছে, হাটে হাড়ি ভাঙার কথা বললে অধীর চৌধুরীও দমদম বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া সোনা পাচার কাণ্ডের কথা উল্লেখ করতে পারেন ফের। তেমন আশঙ্কা থেকেই এবার নিজের আক্রমণের ধরনে বদল করলেন মমতা। বরং বুধবার কান্দির জনসভা থেকে ফের রাজ্যে কংগ্রেস-আরএসএস আঁতাতের অভিযোগ তুললেন তিনি। এদিন তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘কংগ্রেসের কোনও আদর্শ নেই। এ রাজ্যে কংগ্রেস-বিজেপি-সিপিএম সবই এক। বহরমপুর ও জঙ্গিপুরে কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করছে আরএসএস।’ ‘বাংলার প্রেক্ষিতে’ কংগ্রেস ও সিপিএমকে একটি ভোট না দেওয়ার আবেদন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য, বেলডাঙা, ভগবানগোলার পর এবার কান্দি। অধীরের খাসতালুক মুর্শিদাবাদে একের এক জনসভা করে প্রচারে ঝড় তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়াত কংগ্রেস নেতা অতীশ সিংহ-এর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘আমিও একসময়ে কংগ্রেস করতাম। উনি আমায় খুবই ভালবাসতেন, স্নেহ করতেন। কিন্তু কংগ্রেস সিপিএমের কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। তাই ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করি। তৃণমূল কংগ্রেস এখন বটবৃক্ষের পরিণত হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস আছে বলে বাংলায় শান্তি আছে।’
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news