নীল রায়:
মজবুর সরকারের পক্ষে সওয়াল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নরেন্দ্র মোদি বলেন, দেশের মানুষ কী চান? মজবুত সরকার না মজবুর সরকার। সেই মজবুর সরকার গঠনের পক্ষ নিয়ে মমতা বলেন, “কে প্রধানমন্ত্রী হবে, কে কি হবে, সে সব পরে ঠিক করব । আমরা মিলেমিশে সরকার গড়ব।”
শুক্রবার কালিম্পংয়ের জনসভা থেকে এভাবেই দেশে বিকল্প সরকার গঠনের কথা বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বিকল্প সরকারে কোন বিরোধী দলের অবস্থান কি হবে তা নিয়ে একটি বাক্য ব্যয় করেননি। বরং বিজেপি কত আসন পাবে তা নিয়েই শব্দ খরচ করেন এদিন। এমনকি দিল্লিতে সরকার গঠনে তাঁর দলের যোগদান কী হবে, তাও খোলসা করেননি দিদি। মমতা বলেন,”কর্নাটক, তামিলনাড়ু, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ। কোথাও মানুষ বিজেপিকে ভোট দেবে না । বাংলায় জিরো হয়ে যাবে । বিজেপি কী ভাবে জিতবে? উত্তরপ্রদেশে ৭৩টা আসন ছিল, এবার অর্ধেকও পাবে না ।” পাহাড়ের মানুষের উদ্দেশ্যে মমতা বক্তব্য, “উত্তর-পূর্বে এনআরসির জন্য কেউ ভোট দেবে না। নাগরিক সংশোধনী বিল নিয়েও সরব হন মমতা। তিনি বলেন, “সিটিজেনশিপ বিলে কী আছে? পাঁচ বছরের জন্য প্রথমে আপনাদের বিদেশি বানিয়ে দেবে, তার পর কী হবে, কেউ জানে না । আমরা নাগরিকপঞ্জি কিছুতেই করতে দেব না ।’ এদিন ইভিএম নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দু নম্বর ইভিএমে ভোট দেবেন না। এক নম্বর মেশিনে এক নম্বরেই আমাদের প্রার্থী অমর সিংহ রাইয়ের নাম আছে। দ্বিতীয় ইভিএম-এ থাকবে নোটা, ওটাতে ভোট দেবেন না। দু’টো ইভিএম থাকবে, একটিতে ১৬ জনের নাম থাকবে ।”
বিজেপিকে আক্রমণ করে মমতা বলেন, “বিজেপি এখনকার কথা বলে না, বলছে ২০৪৭ সালের কথা। নোটবন্দি করে দেশের মানুষের টাকা লুটে নিয়েছে। চৌকিদার চোর হ্যায়, চৌকিদার চুরি করেছে । সেই টাকা পাওয়া গিয়েছে? যায়নি।” তিনি আরও বলেন, “নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ক্ষমতায় এলে ১৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে । আমরা এরকম নই যে, যা বলছি, তা ভুলে যাব। কিন্তু সেনাবাহিনী সব সময় থাকবে, তাঁরা আমাদের দেশের গর্ব । মোদি আসবেন, অমিত শাহ আসবেন চলে যাবেন । সেনার নামে যা হচ্ছে, তা নিন্দনীয় । সেনার জন্য ভোট দিন, এটা আমরা কখনও বলিনি ।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news