নিজস্ব সংবাদদাতা:
অভিযোগ, শহর জুড়ে রয়েছে এমন একাধিক বিউটিপার্লার যা আসলে মধুচক্র। রয়েছে এমন বহু ম্যাসাজ পার্লার, বিজ্ঞাপনে যাদের নাম আর ফোন নম্বর থাকে, কিন্তু ঠিকানা দেওয়া থাকে না। তবে আপনি ‘ম্যাসাজ নিতে’ আগ্রহী হয়ে ফোন করলেই অপরপ্রান্তের লোকটি ঠিকানা বলে দেবে। এমন ম্যাসাজ পার্লারে কী হয়, কীভাবে চলে তা কলকাতা শহরের সাধারণ মানুষ জানেন। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে, এরা দিনের পর দিন প্রশাসনের নাকের ডগায় অন্যায় কাজ করে চলে কী করে! নিশ্চই তেমন তেমন কায়দা আছে যার মাধ্যমে আপনি বেআইনি কাজ করলেও আপনাকে পুলিশ প্রশাসনে ছোঁবে না! তবে এরচেয়েও মারত্বক সংবাদ প্রকাশ্যে এল এবার।

খোদ কলকাতা পুলিশের এক কর্মীর বাড়িতেই মিলল মধুচক্রের হদিশ৷ সূত্রের খবর, শ্যামবাজার ট্রাফিক গার্ডে কর্মরত ছিলেন ওই পুলিশ কর্মী৷ স্বামী স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে তাঁর বাড়ি ভাড়া নেয় এক যুবক ও যুবতী৷ তারাই বাড়ির এক তলার ঘরে মধুচক্রের আসর জমিয়েছিল বলে অভিযোগ৷ ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত দু’জনকে৷
কিন্তু পুলিশ কর্মীর বাড়িতে মধুচক্র বসানোর সাহস হয় কী করে! ঘটনার কথা বাড়ির মালিক তথা ওই পুলিশ কর্মী জানতেন না বলে দাবি তাঁর৷ তবে ওই বাড়িতে যাতায়াত ছিল একাধিক নারী পুরুষের৷ যা দেখে সন্দেহ হয় ওই পুলিশ কর্মীর নয়, বরং এলাকাবাসীর৷ তারাই খবর দেন পুলিশে৷ গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে গড়ফা থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে যুবক যুবতীকে৷ এই কারবার তারা কাদের সঙ্গে ফেঁদেছিল তারও খোঁজে নেমেছে পুলিশ৷ কিন্তু যে পুলিশ কর্মীর বাড়িতে এতবড় কাণ্ড চলত, তিনি কি সত্যিই কিছু জানতেন না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজতে নেমেছে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহেই শহরের নামি বিউটি পার্লার থেকে মধুচক্র চালানোর অভিযোগে উঠেছে। পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ পাশাপাশি পার্কস্ট্রিটের একটি বিউটি পার্লারে ঘটেছে গণধর্ষণের ঘটনা। সব মিলিয়ে শহরে অপরাধ চক্র জাল ছড়িয়েছে বলে মনে করছে সাধারণ মানুষ থেকে প্রশাসন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news