Breaking News
Home / TRENDING / লকেটকে যদি সরতে হয় তাহলে দিলীপ নয় কেন? প্রশ্ন বিজেপির অন্দরমহলে

লকেটকে যদি সরতে হয় তাহলে দিলীপ নয় কেন? প্রশ্ন বিজেপির অন্দরমহলে

নিজস্ব সংবাদদাতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সাংসদ হয়ে যাওয়ার পরও সভাপতি পদে থাকা নিয়ে সঙ্ঘের মধ্যে চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এক ব্যক্তি এক পদে থাকার রীতি। দলের এই গাইডলাইন মেনে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর সর্বভারতীয় সভাপতির পদ ছেড়ে দিয়েছেন। সেই দায়িত্ব পাচ্ছেন জেপি নাড্ডা। এমনকি বিজেপির বেশ কিছু সাংসদ রাজ্যের সাংগঠনিক মোর্চা ও সেলের সভাপতি ছিলেন। তাঁদেরও ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক পদ থেকে সরানোর তোড়জোড় শুরু করেছে রাজ্য নেতৃত্ব।

 

 

সেই ক্ষেত্রে কেবল দিলীপ ঘোষকে কেন সভাপতি হিসাবে রাখা হয়েছে, সেই নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে যুগপৎ সঙ্ঘ ও দলের অন্দরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও স্বয়ং নির্দেশ দিয়েছেন, বিজেপির প্রতিটি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের নিজের লোকসভা কেন্দ্রে বেশী সময় দিতে হবে। এলাকায় জনসংযোগ করতে হবে। কিন্তু মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষের পক্ষে গোটা রাজ্যের দায়িত্বের সঙ্গে আলাদা নিজের কেন্দ্র দেখভাল করা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে সঙ্ঘ তথা দলের নেতৃত্বের মধ্যে। বিজেপির এক কেন্দ্রীয় সম্পাদক ঘনিষ্ঠ মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চলতে হবে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কী কারনে তাঁকে সভাপতির দায়িত্ব থেকে এখনও সরাচ্ছে না? রাজনৈতিক মহলেও প্রশ্ন উঠছে, দিলীপের জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা কেন?

 

বিজেপি সূত্রের একাংশের খবর, মোদীর মন্ত্রীসভার ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে ডিসেম্বর মাস নাগাদ মন্ত্রীসভার আনুষ্ঠানিক ভাবে সম্প্রসারণ করা হবে। সেখানেই দিলীপ ঘোষকে হেভিওয়েট কোনও দপ্তরের মন্ত্রী করা হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষের জায়গায় অন্য কাউকে রাজ্য সভাপতি হিসাবে দেখা যেতে পারে। আর একটি অংশ বলছে ডিসেম্বর নয় বরং তার আগেই সরানো হতে পারে দিলীপকে।
সূত্রের খবর দলের মহিলা মোর্চার সভানেত্রী বদলের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত হয়ে গেছে। লকেট চট্টোপাধ্যায়কে অব্যহতি দিয়ে অন্য কাউকে সেই দায়িত্বে বসানো হবে। প্রত্যাশিত ভাবে লকেটও এই সিদ্ধান্ত হাসি মুখে মেনে নিয়েছেন। নিজের কেন্দ্র হুগলিতে মনোনিবেশ করেছেন তিনি। লকেট গেলে দিলীপ কেন নয়? এই প্রশ্ন এখন দলের সর্বস্তরে।

 

বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় দিলীপ ঘোষের অপসারণ বিষয়ে সাবধানী মন্তব্য করেছেন। তাঁর কথায়, “সাংসদ হয়ে গেলে কেউ রাজ্য সভাপতি থাকতে পারবে এই রকম কোনও বিষয় নেই। দল যা দায়িত্ব দেবে সেটাই আমাদের করতে হবে। তবে দল যদি বোঝে কোথাও কোনও সমস্যা আছে তাহলে অবশ্যই দ্রুত ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।”

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *