তাঁর নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী করোনা রুখতে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছেন। কেন্দ্র-রাজ্য দুই সরকারই করোনা ছড়িয়ে পড়া রুখতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলছে। কিন্তু হলে
কি হবে? তিনি তৃণমূলের লোকাল নেতা আর কে না জানে বাঁশের চেয়ে চিরকালই দড় কঞ্চি! তিনি মানে তন্ময় দেব। কোন্নগর পুরসভার শাসক দলের কাউন্সিলর।

উত্তরপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত কোন্নগর পুরসভার দেশপ্রাণ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মালিক দোকান খোলা রেখে দেদার ব্যাবসা চালাচ্ছিলেন। সেই খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।উত্তরপাড়া থানার পুলিশ সেই মিষ্টির দোকান বন্ধ করতে গেলে উদিত হন তন্ময়। ভুতের ভবিষ্যৎ ছবির প্রমোদ প্রধানকে মনে আছে তো? গোটা পৌরসভা, শাসক-বিরোধী সব যার পকেটে! ঠিক সেই রকম ভাব নিয়ে তন্ময় দেব মঙ্গলবার সকালে পুলিশের কাজে বাধা দিয়ে আইনভঙ্গকারীর ত্রাতা হয়ে অবতীর্ণ হলেন। শুধু বাধা দেওয়া বললে কম বলা হবে। অভিযোগ, তিনি কর্তব্যরত পুলিশকে ধাক্কাধাক্কিও দিয়েছেন।
পুলিশ অবশ্য পাড়ার নেতার এ হেন বেয়াদবি বরদাস্ত করেনি। ঘাড় ধরে তুলেছে প্রিজন ভ্যানে। রাজ্যের শাসক দলের কাউন্সিলরের এই ভূমিকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে সব মহলে। পুলিশ সূত্রে খবর আইপিসি ১৮৮ এবং অন্যান্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে।কোন্নগরের সাধারণ মানুষের অভিযোগ জন প্রতিনিধি হয়ে যদি আইন না মানে তাহলে সাধারণ মানুষ কি শিক্ষা নেবেন ওনার থেকে! কোন্নগরের এই ‘পোদ পদা’ কাউন্সিলর থানায় বসেও নিজের হম্বিতম্বি বজায় রেখেছিলেন। কাউন্সিলর দলের বড় নেতাদের ফোন করার চেষ্টাও করেন। পুলিশও সময় নষ্ট না করে তার ফোন টি কেড়ে নিয়েছে। পুলিশের এই ভূমিকায় সাধুবাদ জানিয়েছেন কোন্নগরের বিশিষ সকল বিশিষ্ট মানুষ।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news