Breaking News
Home / TRENDING / যৌথ আন্দোলনেই জোটের গ্রহণযোগ্যতা ফেরাতে চায় বাম-কংগ্রেস

যৌথ আন্দোলনেই জোটের গ্রহণযোগ্যতা ফেরাতে চায় বাম-কংগ্রেস

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

ফের একসঙ্গে আন্দোলনে বাম-কংগ্রেস (Left-Congress)। ‌ বুধবার ক্রান্তি প্রেসে আয়োজিত বাম কংগ্রেস রাজ্য নেতৃত্বে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় সরকারের পেট্রোপণ্যের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ইস্যুতে ফের একসঙ্গে পথে নামার কর্মসূচি নিয়েছে তারা। আগামী ২৯ জুন কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বাম দলগুলোর সঙ্গে একযোগে পথে নামবে কংগ্রেস। অবিলম্বে পেট্রোপণ্যের দ্রব্যমূল্য প্রত্যাহারের দাবি তোলা হবে। জেলাস্তরে দু’পক্ষের নেতৃত্বরা ডেপুটেশন দেবেন বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও ৭ জুলাই আমফান নিয়ে একটি বিক্ষোক্ষ কর্মসূচি নেওয়া হয় বৈঠকে।

সূত্রের খবর, বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি কমিটি স্টেয়ারিং কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। বামেদের পক্ষে জানানো হয়, কমিটির কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে গড়তে হবে। তাহলেই তা মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। সেই প্রস্তাব মেনেই আপাতত দুটি কর্মসূচিতে একযোগে পথে নামার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২৯ জুন ও ৭ জুলাই দুটি কর্মসূচিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে কংগ্রেস। ‌

যৌথভাবে আন্দোলন হলেও, দুপক্ষই পৃথকভাবে আন্দোলনে নামবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামীকাল ভারত-চিন সীমান্তে শহীদ নিরস্ত্র জওয়ানদের তর্পনে ‘শহীদ সম্মান দিবস’ পালনের কর্মসূচি নিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। মেয়ো রোডের গান্ধী মূর্তির পাদদেশে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্ল্যাকার্ড নিয়ে কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা ধর্ণা দেবেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে জোট করে লড়াই করে সাফল্য আসেনি। পরবর্তী সময়ে লোকসভা নির্বাচনে দড়ি টানাটানি জোট প্রক্রিয়া ভেস্তে গেলে ক্ষতি হয়েছে দু’পক্ষের। সেই সুযোগে রাজ্যে বিকল্প বিরোধী হিসেবে উঠে এসেছে বিজেপি। বিরোধী হিসেবে শুধু উঠে আসায় নয় লোকসভা নির্বাচনে ১৮ টি আসনে জয়ী হয়ে, ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে শাসক তৃণমূলের। এমন পরিস্থিতিতে কাছাকাছি এসেছে বাম-কংগ্রেস। লোকসভা ভোটে পরস্পরের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা সোমেন মিত্র ও বিমান বসুর ফের আলোচনার টেবিলে বসেছেন। আপাতত আলিমুদ্দিন স্ট্রিট ও বিধান ভবনের লক্ষ্য এক। আপাতত বাম কংগ্রেস নেতাদের লক্ষ্য বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে তাদের জোটকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জোটের ফাটল মেরামত করে আপাতত রাজ্যের মানুষের কাছে জোটকে গ্রহণযোগ্য করে তোলাই লক্ষ্য বাম-কংগ্রেসের।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *