চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
প্রশান্ত কিশোরের ৯০ শতাংশ হারের খোঁচার পর কংগ্রেসকে বিধানসভায় শূন্য হয়ে যাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। শুক্রবার সকালে পর পর তিনটি টুইট করেন তিনি। সবকটিই কংগ্রেসকে নিশানা করে। কুণাল লিখেছেন, ‘কংগ্রেস নেতারা মনে রাখুন এবার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যখন তৃণমূলকে হারাতে সর্বশক্তিতে নেমেছিল, তখন তারাও সিপিএমের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিজেপির উদ্দেশ্য সাধনের যন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে। তারা ০ পেয়েছে। তৃণমূল জিতেছে। তাই তাদের মুখে বিজেপির বিরোধিতা নিয়ে জ্ঞানের কথা মানায় না।’ তিনি আরও লিখেছেন, কংগ্রেস বলুক: ক) বিরোধী শক্তির স্টিয়ারিং কমিটি, যত ন্যূনতম কর্মসূচি নিয়ে মমতার প্রস্তাবে তারা নীরব কেন? খ) ২০১৪ ও ২০১৯ লোকসভা সহ বহু নির্বাচনে তারা বিজেপিকে রুখতে ব্যর্থ কেন? গ) সরকার পরিচালনার জন্য গঠিত ইউএপি-র পরে বিরোধী পক্ষের গণআন্দোলনের মঞ্চ হল না কেন?’
কুণালের খোঁচা দেওয়া টুইটে লিখেছেন, ‘কখনই কংগ্রেসকে বাদ রাখার কথা বলেনি। বিজেপিবিরোধী জোট শক্ত করতে কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। কং এখনও নীরব। তৃণমূল হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। মানুষ যেখানে চাইছেন, আমরা সাধ্যমত দল বিস্তার করব। বাকিটা পরে শীর্ষ নেতৃত্ব যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’ মুম্বইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি এবং অদিত্য ঠাকরে-শরদ পাওয়ারের সঙ্গে তাঁর বৈঠক জাতীয় রাজনৈতিতেও বহু সমীকরণ বদলে দিয়েছে। পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘ইউপিএ আবার কী! ইউপিএ বলে কিছু নেই এখন’। এরপরেই কার্যত তোলপাড় হয় রাজনৈতিক মহল। ক্ষুব্ধ হন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। সম্প্রতি দিল্লি গিয়েও কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেননি মমতা। সংসদের শীতকালীন অধিবেশন বিরোধী ঐক্য নিয়ে কংগ্রেসের ডাকা সোমবারের বৈঠকেও যোগ দেয়নি তৃণমূল। সে দিনই তৃণমূল কর্মসমিতির বৈঠকে মমতা জানিয়ে দেন, বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কংগ্রেস ব্যর্থ হয়েছে। তারপরেই তৃণমূলের ভোট কুশলী থেকে শুরু করে নেতারা কংগ্রেসকে আক্রমণ করছেন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news