ওয়েব ডেস্ক:
বিপাকে পড়ে অভিযুক্ত ছাত্রদের পর এবার কোন্নগরের নিগৃহীত অধ্যাপকের কাছে ক্ষমা চাইল তৃণমূলের জেলার নেতৃত্ব। এদিন কোন্নগরের নবগ্রাম হীরালাল পাল কলেজে গিয়ে অধ্যাপক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব ও উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। পাশাপাশি এই ঘটনায় স্থানীয় কাউন্সিলর তন্ময় দেব প্রামাণিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠল।
বৃহস্পতিবার বিধায়ক প্রবীল ঘোষাল কলেজে গিয়ে অধ্যাপক সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন। নিগৃহীত অধ্যাপকের পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন দিলীপ যাদব। এই ঘটনার পিছনে কে রয়েছে তা অধ্যাপকের কাছে জানতে চান প্রবীর বাবু। যদিও প্রথমে অধ্যাপক তাঁর নাম বলতে চাননি। বলেন, “আমি যদি তাঁর নাম নিই, আমার কাল থেকে কলেজে ঢোকা বন্ধ হয়ে যাবে।” এরপর সুব্রতবাবুকে আশ্বস্ত করেন স্থানীয় বিধায়ক। অধাপককে অভয় দিয়ে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন। কে কত বড় দাদা হয়েছে, আমি দেখে নেব। আপনি নামটা বলুন।” এরপর সুব্রতবাবু বলেন, “কাউন্সিলর তন্ময় দেব প্রামাণিকের নির্দেশেই ছাত্ররা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমার ছাত্ররা এমনিতে তেমন নয় যে অধ্যাপকের গায়ে হাত তুলবে। গতকাল বহিরাগতের নির্দেশেই এমনটা হয়েছে।”
ঘটনা জানার পর ফের অধ্যাপকের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চান তৃণমূলের জেলা সভাপতি দিলীপ যাদব ও উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, সকালেই নিগৃহীত অধ্যাপক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করে নিরাপত্তার আশ্বাস দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুব্রত বাবু বলেন, “ফোনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আপনার পাশে আছি। আপনি কোনও চিন্তা করবেন না। দোষী দুই ছাত্রকে বের করে দেওয়া হয়েছে।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news