Breaking News
Home / TRENDING / করোনা সংক্রমণ থেকে পরিকাঠামো : কলকাতা পুলিশের নীচুতলায় ক্ষোভ

করোনা সংক্রমণ থেকে পরিকাঠামো : কলকাতা পুলিশের নীচুতলায় ক্ষোভ

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

শহর কলকাতা মানুষকে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্বে রয়েছে কলকাতা পুলিশ। কলকাতা শহরে ৭৯টি পুলিশ স্টেশন রয়েছে। যারা প্রতিকূলতার মধ্যেও সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিয়ে চলেছে। মানুষের সুরক্ষার দাবিতে ২৪ ঘন্টা কাজ করে চলেছে কলকাতা পুলিশ। সারাদিন হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়ে পুলিশ স্টেশনগুলোতে। পারিবারিক অশান্তি থেকে খুন খারাপির অভিযোগ তো লেগেই আছে। কোনওকিছুই অভিযোগ বাদ পড়ে না এই পুলিশ স্টেশনগুলিতে। কিন্তু এবার এই কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার যারা আছেন তাদের মনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তাঁদের সুরক্ষা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণের পরিস্থিতিতেও প্রথমসারিতে দাঁড়িয়ে পুলিশের নীচুতলার কাজ করে চলেছেন। ইতিমধ্যে ১৪ জন পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্ত হয়েছেন অনেকে। দীর্ঘদিন ধরেই অনেক অভিযোগ করেছেন তাদের ওপরতলায়, কিন্তু কোনও ফল হয়নি।

আসলে কলকাতা শহরে যে সমস্ত পুরোনো থানা রয়েছে সেখানে করোনার প্রকোপ বেশি। একের পর এক পুলিশকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয় থানাগুলির অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন। জীর্ণ পুরাতন থানায় সঠিকভাবে বিশ্রাম নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না পুলিশ কর্মীদের। দেওয়ালগুলো পুরোনো ও স্যাঁতসেঁতে তাঁ মধ্যে বর্ষাকাল হওয়ায় এবং নিম্নচাপের বৃষ্টির প্রভাবে সমস্ত পুরোনো ঘরগুলোতে থাকতেও অসুবিধা হচ্ছে। এমনকি অনেক থানার ছাদ নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। কখনও কখনও কাজ করতে বসলে মাথার ওপর ছাদ ভেঙে পড়ছে। থানার শৌচাগার ব্যবহার করা হয এবং সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয় না। হাইজেনিক বিষয় প্রশ্ন উঠছে । তাছাড়া অনেক সময় দেখা যায় থানাগুলি সামনে অনেক পুরোনো দিনের গাড়ি অনেক দিন ধরে পরে রযেছে। ফলে ওই সমস্ত জায়গায় যথেষ্ট জঞ্জালে পরিণত হয়েছে এবং সেখান থেকে মশার বংশ বৃদ্ধি করছে। ফলে ডেঙ্গুর প্রকোপের ভয় বাড়ছে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) নীচুতলায়।

থানার মধ্যে যে সমস্ত চেয়ার রয়েছে সেগুলো তো পুরোনো অনেক কাঠের চেয়ারগুলিতে ঘুণ ধরে গেছে। কিন্তু সরকার পক্ষে বদলানোর কোনও পরিকল্পনা নেই বলে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের নীচুতলার কর্মীর। এমনকি বর্ষার সময় যে সমস্ত ছাতা ব্যবহার করা হত, সেগুলোও ব্যবহারের অযোগ্য। এমনকি সবথেকে বড় অভিযোগ পানীয় জলের অসুবিধা রয়েছে বেশিরভাগ থানায়। বাইরে থেকে জল কিনে আনতে হয়। গরমকালে সবচেয়ে বেশি অসুবিধা হয় পুলিশকর্মীদের। কারন বেশিরভাগ থানায় অভিযোগ এবং যে সমস্ত বৈদ্যুতিক পাখা ব্যবহার করা হয় তাও মান্ধাতা আমলের। গরমকালে কাজ করতে হলে কিছুটা হলেও অসুবিধা তৈরি হয়েছে। তবে অনেক নতুন থানায় ইতিমধ্যে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের ব্যবহার শুরু হয়েছে। এককথায় শহর কলকাতায় অনেক পুলিশ স্টেশনগুলিতে এখনো পর্যন্ত পর্যাপ্ত জিনিসপত্র নেই যা দিয়ে তারা প্রশাসন পরিচালনা করতে পারেন।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *