চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
মুক্তি পেয়েই মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশ সহ ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গকে ধন্যবাদ জানালেন কাফিল খান (Kafeel Khan)। মঙ্গলবার জাতীয় সুরক্ষা আইনে বন্দি চিকিৎসক কাফিল খানকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিল ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভে বক্তৃতা দেওয়ার পরে উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের সরকার তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। কোর্টের নির্দেশে মঙ্গলবার মধ্যরাতেই তাঁকে মথুরা জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। কারাবাস থেকে মুক্তি পাওয়ার পরেই যোগী সরকার তথা কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। এই সময় তাঁর পাশে থাকার জন্য কাফিল ভারতের বাইরে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা সমগোত্রীয়দের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানালেন। মুক্ত কাফিল জেল থেকে বেরিয়ে বলেছেন, “যোগী আদিত্যনাথের সরকার রাজধর্ম পালন করার চেয়ে ছেলেমানুষি জেদ দেখাতেই বেশি ব্যস্ত। আবার হয়তো নতুন কোনও একটা মামলায় আমাকে জড়িয়ে দেওয়া হতে পারে।” প্রসঙ্গত, তাঁর মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপনে তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত দেখছে রাজনৈতিক মহল। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যেমন গোঁড়া মুসলিমদের আস্তানা। তেমনি পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে বাড়বাড়ন্ত হয়েছে মুসলিম সংগঠনগুলোর। গত বছর ডিসেম্বর মাসে নাগরিক সংশোধন আইন কার্যকর হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে মুসলিম সংগঠনগুলোর তাণ্ডব প্রত্যক্ষ করেছিল রাজ্যবাসী।
প্রসঙ্গত, জননিরাপত্তা আইনে উত্তরপ্রদেশের বিতর্কিত চিকিৎসক ডাঃ কাফিল খানের (Kafeel Khan) গ্রেপ্তারি অনৈতিক বলে তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয় নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। আদালত নির্দেশৎদেয়, কাফিল খানকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। সেই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইন (ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বা এনএসএ)-র ধারা প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গত ডিসেম্বর কাফিলের বিরুদ্ধে এফআইআরে অভিযোগ আনা হয়েছিল, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা ছাড়াও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন তিনি। রাতেই তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news