চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
“শিবসেনা এখন বালাসাহেবের আদর্শ বেঁচে এখন সনিয়া সেনা হয়ে গিয়েছে।” এভাবেই শিবসেনা শীর্ষ নেতৃত্ব তথা মহারাষ্ট্র সরকারকে আক্রমণ করলেন কঙ্গনা রানাওয়াত (Kangna Ranawat)। টুইটে তিনি লেখেন, “যে বিচারধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে বালাসাহেব ঠাকরে শিব সেনা তৈরি করেছিলেন, আজ ক্ষমতার জন্য সেই আদর্শ বিক্রি করে শিবসেনা (Shivsena) সনিয়া সেনায় পরিণত হয়েছে। আমার অনুপস্থিতিতে যে গুন্ডারা আমার ঘর ভেঙেছে, তাদের দয়া করে সভ্য সমাজের অঙ্গ বলবেন না। সংবিধানের এত বড় অপমান করবেন না।” তাঁর আক্রমণের নিশানা যে সরাসরি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে (Uddhvab Thakrey), তা বুঝতে কারো অসুবিধা হয়নি। কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে মহারাষ্ট্র সরকার গঠনের কারণ এই যে এই কটাক্ষ করেছেন কঙ্গনা তাও স্পষ্ট তাঁর বক্তব্যে। বুধবার অনেক রাতে একটি খবর শেয়ার করেন কঙ্গনা। যাতে লেখা ছিল, বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের আইনজীবী শুধুমাত্র হাইকোর্টে এই বলতে গিয়েছিলেন, যে তিনি এই মামলা সম্পর্কে এবং কঙ্গনাকে পাঠানো নোটিস সম্পর্কে কিছু জানেন না। এভাবেই নাকি বুধবার কঙ্গনার অফিস ভাঙার নোটিস সংক্রান্ত মামলাটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ দুপুর তিনটে নাগাদ ফের শুনানি।
প্রসঙ্গত, সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) মৃত্যুর ঘটনায় মহারাষ্ট্র সরকারের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কঙ্গনা। তারপরই শুরু হয় শিবসেনা- কঙ্গনা দ্বৈরথ। বুধবার দুপুর থেকে পালি হিলে কঙ্গনার মণিকর্ণিকা ফিল্মজের দফতর ভাঙার যে কাজ শুরু করেছিল বৃহন্মুম্বই পুরসভা, আপাতত সেই কাজ বন্ধ রাখতে হবে তাদের। সেই সঙ্গে মুম্বই পুরসভার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এদিন আদালতে যে আবেদন জমা দিয়েছিলেন কঙ্গনা, বৃহন্মুম্বই পুরসভা (Brihanmumbai Corporation) কর্তৃপক্ষকে তারও জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে শিবসেনা নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে কঙ্গনাকে জানিয়েছিলেন, মুম্বই ঢুকতে দেওয়া হবে না তাঁকে। কিন্তু সেই হুমকির তোয়াক্কা না করে মুম্বাই ফেরেন কঙ্গনা রানাওয়াত। বিমানবন্দরে শিবসৈনিকরা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেও নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন তিনি। এদিন আবার শিবসেনাকে সনিয়া সেনা বলে কটাক্ষ করে শিবসেনার ক্ষোভের আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন রুপোলী পর্দার ‘ঝাঁসি কি রানী’।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news