চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
জননিরাপত্তা আইনে উত্তরপ্রদেশের বিতর্কিত চিকিৎসক ডাঃ কাফিল খানের (Kafeel Khan) গ্রেপ্তারি অনৈতিক। তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হোক। নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court)। সোমবার আদালতের নির্দেশ, কাফিল খানকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। সেই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইন (ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বা এনএসএ)-র ধারা প্রত্যাহারেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গত ডিসেম্বর কাফিলের বিরুদ্ধে এফআইআরে অভিযোগ আনা হয়েছিল, আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা ছাড়াও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করেছেন তিনি। এদিন সেই এফআইআরেরও সমালোচনা করেছে এলাহাবাদের উচ্চ আদালত। কাফিল খানের ভাষণে তেমন কোনও প্রচেষ্টাই দেখা যায়নি বলেও জানিয়েছে ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। হাইকোর্টের মন্তব্য, “সম্পূর্ণ ভাষণটি পাঠের পর প্রাথমিক ভাবে তার দ্বারা বিদ্বেষ বা হিংসা ছড়ানোর কোনও প্রচেষ্টাই দেখা যায় না। আলিগড়ের শান্তি বা স্থিতাবস্থা বিঘ্নিত করতে তা উদ্যতও নয়।” সেই সঙ্গে আলিগড়ের জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের উদ্দেশে হাইকোর্টের কড়া বক্তব্য, “এটা মনে হচ্ছে যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কেবলমাত্র বাছাই করা অংশই পড়েছেন। এবং ভাষণের প্রকৃত বক্তব্য অবজ্ঞা করে কিছু বাছাই করা বাক্যাংশ উল্লেখ করেছেন।”
২০১৭ সালের আগস্ট মাসে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর বিআরডি হাসপাতালে একদিনে অক্সিজেনের অভাবে প্রাণ গিয়েছিল ৬০ শিশুর। ক্ষমতায় আসার চার মাসের মাথায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল ওই হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কাফিল খানকে। কিছুদিন বাদে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ন’মাসের জন্য জেল হেফাজতেও পাঠায় প্রশাসন। যদিও পরে কাফিলের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কাফিলের পালটা দাবি ছিল, প্রশাসনিক স্তরে দুর্নীতিকে আড়াল করতেই তাঁকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news