নিজস্ব প্রতিনিধি।
হোলির দিন সকালেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) বাসভবনে দেখা করতে গেলেন মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। মঙ্গলবার কংগ্রেস ছাড়তে পারেন মাধবরাও সিন্ধিয়ার ছেলে। ইতিমধ্যে বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার (Jyotiraditya Sindhiya) ঘনিষ্ঠ ১৭ জন বিধায়ক উড়ে গিয়েছেন বিজেপি শাসিত কর্নাটকে। এমতাবস্থায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছিল যে, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কোথায়? এ প্রসঙ্গে সোমবার রাতে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং বলেন, “সিন্ধিয়াজির সঙ্গে যোগযোগ করা যাচ্ছে না। শোনা গিয়েছে, তাঁর সোয়াইন ফ্লু হয়েছে। তিনি কথা বলতে পারবেন না।” মধ্যপ্রদেশে কেউ যদি জনতার রায়কে অমান্য করে, সে উপযুক্ত জবাব পাবে।” তিনি আরও বলেন, “যো সহি কংগ্রেসী হ্যায়… ওহ কংগ্রেস মে রহেগা।” এরপরেই স্পষ্ট হয়ে যায় জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছাড়ার ইঙ্গিত পেয়ে গিয়েছে এআইসিসি।
কংগ্রেস রাজনীতিতে রাহুল গাঁধীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশ জয়ের পর জ্যোতিরাদিত্যর বদলে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছিল বর্ষীয়ান কমলনাথকে (Kamalnath)। যা নিয়ে মনক্ষুন্ন হয়েছিল মাধবরাও সিন্ধিয়া পুত্র। মধ্যপ্রদেশে (Madhyapredesh) কংগ্রেস সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা এমনিতে সুতোয় ঝুলছিল। ২০১৮ সালে বিধানসভা ভোটে জিতলেও বিজেপির সঙ্গে আসন সংখ্যার ফারাক বিশেষ ছিল না। সেই সুযোগই নিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। ১৭ জন বিধায়ক বিক্ষুব্ধ হয়ে বিধানসভা থেকেই ইস্তফা দিলে কংগ্রেসের সরকার এমনিতে পড়ে যাবে। সেই কারণেই সোমবার রাতেই কমলনাথ মন্ত্রিসভা সব সদস্যদের থেকে ইস্তফাপত্র চেয়ে নিয়েছেন। বিক্ষুব্ধদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে তিনি হয়তো মন্ত্রী করার টোপ দিয়ে সরকার বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন তিনি।
কিন্তু, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে মন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বলেই রাজধানীতে খবর। তাই জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও মধ্যপ্রদেশ সরকার যে হাতছাড়া
হওয়া সময়ের অপেক্ষা তা বুঝে গিয়েছেন এআইসিসির ম্যানেজাররা।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news