Breaking News
Home / TRENDING / ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার ঘোষণা মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জো বিডেনের

ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার ঘোষণা মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী জো বিডেনের

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। এমনটাই বললেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট (Democrat) শিবিরের প্রার্থী জো বিডেন (Joe Biden)। গত বুধবার এক ভারচুয়াল অনুষ্ঠানে আগামীর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে এ কথা বলেছেন তিনি। বিডেন বলেছেন, “ক্ষমতায় এলে আমার প্রথম কাজ হবে দেশের জন্য সঠিক বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা। এক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক করা হবে আমার প্রাথমিক লক্ষ্য।” তিনি আরও বলেন, “আঞ্চলিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভারতের সঙ্গে বৈদেশিক সম্পর্ক আমাদের রাষ্ট্রের পক্ষে অনেক বেশি সুরক্ষা ও সচেতনতার।”

প্রসঙ্গত, এমন বক্তৃতার মাধ্যমে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী। আগামী নভেম্বর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। দেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি তথা রিপাবলিকানদের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) সঙ্গে মূলত লড়াই তাঁর। সেক্ষেত্রে এখন থেকেই নিজেদের রাষ্ট্র পরিচালনার রণনীতি স্পষ্ট করে দেওয়ার প্রচার কৌশল নিয়েছেন জো বিডেন। এই মুহূর্তে এশিয়ায় জাপানের পর ভারতই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বন্ধু। বর্তমানে আমেরিকার (USA) সঙ্গে চিনের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই হুংকার দিচ্ছেন বেজিংয়ের উদ্দেশ্যে। এক্ষেত্রে চিনকে শায়েস্তা করতে ভারতকেই বিশ্বস্ত বন্ধু বলে মনে করছেন ট্রাম্প।

তিনি ক্ষমতায় এলে যে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে নির্বাচনী প্রচারে তাই তুলে ধরতে চাইছেন জো বিডেন। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের মধ্যে ভারতীয়দের প্রভাব যথেষ্ট। সঙ্গে বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শিং জিনপিংয়ের চিনকে জব্দ করতে গেলে ভারতকে পাশে পেতেই হবে আমেরিকার। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে এমনিতেই চিনের ওপর বেজায় ক্ষুব্ধ ওয়াশিংটন। তার ওপর গোপনে চিনের পারমানবিক শক্তি পরীক্ষা থেকে শুরু করে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, ব্রুনেই ও জাপানের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করে আন্তর্জাতিক রাজনীতির আবহ উত্তপ্ত করে রেখেছে শিং জিনপিংয়ের সরকার। দক্ষিণ চিন মহাসাগরে একতরফা দাদাগিরি কায়েম করে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সংঘাত হয়েছে তাদের।

এমতাবস্থায় আন্তর্জাতিক রাজনীতির ওপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে গেলে ভারতের মতো বৃহত্তর রাষ্ট্রকে পাশে প্রয়োজন আমেরিকার। যিনি মার্কিন রাষ্ট্রপতি হন না কেন, তাঁকেই ভারতকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল। এই কারণে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন ও রিপাবলিকান (Republican) প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের একাধিক বক্তৃতায় উঠে আসছে ভারতের প্রসঙ্গ।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *