নিজস্ব সংবাদদাতা:
কুলতলি: যখন সামনে বাঙালির সেরা পার্বণ তখন মহালয়ার আতঙ্কে ভুগছে কুলতলি। কিন্তু মহালয়াকে কেন ভয়? কারণ ওই দিন নদীতে ওঠে ভরা কোটালের জলচ্ছোসা। তাছাড়া এমনিতেই দিন চারেক আগে জোয়ারের জলে বাঁধ ভেঙেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগণার কুলতলি ব্লকের মাকড়ি নদীর। গ্রামবাসীদের চেষ্টায় আপাতত নদী বাঁধের ভাঙন মাটি দিয়ে আটকানো সম্ভব হয়েছে। প্রশাসন বা সেচ দফতর গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে আপাতত কিছুটা এলাকা রিং বাঁধ দিয়ে জল আটকেছে। কিন্তু সামনেই মহালয়ার অমাবস্যার কোটাল রয়েছে, সেই কোটালে নদীর জল প্রচুর বাড়ার সম্ভবনা রয়েছে। বিপুল পরিমাণ জলের চাপে এই মাটির তৈরি রিং বাঁধ টিকবে কিনা তা নিয়েই চিন্তায় রয়েছেন এলাকার কয়েকশো পরিবার।
প্রতিবছরই কূলতলি ব্লকের এই মৈপীঠ থানার অন্তর্গত গুরগুরিয়া ভুবনেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতের হালদার ঘেরি এলাকার নদীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সুন্দরবনের অন্যতম নদী ঠাকুরান নদীর শাখা মাকড়ি নদীর জলচ্ছাসে এবারও প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ ফুট নদী বাঁধ ভেঙেছে গত কয়েকদিনে। তবে গ্রামবাসীদের তৎপরতায় আপাতত রিং বাঁধ দিয়ে নদীর জল গ্রামে ঢোকা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। তবে স্থানীয় মানুষদের চিন্তা আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই মহালয়ায় যে ভরা কোটাল রয়েছে সেই কোটালের জলচ্ছাসে নতুন করে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হতে পারে গ্রামগুলি। কার্যত এই আতঙ্কেই দিন কাটাচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। এ বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতা রয়েছে বলে ও দাবি গ্রামবাসীদের।
এই নদী বাঁধ ভাঙার ফলে দুর্গাপুজোর আগে নতুন করে গৃহহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে এলাকায়। স্থানীয় মানুষের দাবি, প্রশাসন দ্রুত স্থায়ী বাঁধ তৈরির ব্যবস্থা নিক। তবেই সমস্যার সমাধান হবে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news