চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে কী পদত্যাগ করবেন ? করোন ভাইরাসের সংক্রমণে জেরবার মহারাষ্ট্র। দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হানা হয়েছে মারাঠা মুলুকেই। সেই আবহেই রাজ্য রাজনীতিও সরগরম। জোর জল্পনা শুরু হয়েছে শিবসেনা প্রধান তথা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে (Uddhavb Thakrey) কি পদত্যাগ করবেন ? কারণ প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, ২৮ নভেম্বর মহাবিকাশ আগাড়ী জোটের নেতা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন বালাসাহেব ঠাকরের পুত্র।
ঘটনাচক্রে, সংবিধান মেনে মুখ্যমন্ত্রী তথা যে কোনও সাংবিধানিক পদে বসে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত হয়ে আসা আবশ্যিক। কিন্তু উদ্ভব ঠাকরে এখনও মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) বিধানসভা কিংবা বিধান পরিষদের সদস্য নন। আর আগামী ২৪ মে শেষ হচ্ছে তাঁর ছয় মাসের মেয়াদ। তাই স্বাভাবিকভাবেই সংবিধানিক সংকট দেখা দিয়েছে মারাঠা রাজ্যে। প্রশ্ন উঠছে, যখন নির্বাচন কমিশন দেশের সমস্ত রকম নির্বাচন তথা উপনির্বাচনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে দিয়েছে। তখন কীভাবে ২৪ মে-র মধ্যে উদ্ভব ঠাকরে বিধান পরিষদ বা বিধানসভার সদস্য হিসেবে জয়ী হয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন থাকবেন ?
বর্তমানে মহারাষ্ট্রে বিধান পরিষদের দুটি আসন খালি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী বিধান পরিষদের সদস্যদের মনোনয়ন দেন রাজ্যপাল। এক্ষেত্রে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কেশিয়াড়ি কী ভূমিকা নেন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। কারণ সাংবিধান অনুযায়ী ২৪ মে-র পর আর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন না উদ্ভব। সাংবিধানিক সঙ্কট এড়াতে শেষ পর্যন্ত কি পন্থা অবলম্বন করা হয় তা নিয়ে জল্পনা চলছে মহারাষ্ট্রের আইন মহলেও।
১৯৯৫ সালে কংগ্রেস নেতা তেজ প্রতাপ সিং পাঞ্জাব সরকারের ক্যাবিনেটে মন্ত্রী হন। কিন্তু ১৯৯৬ সালে ছয়মাস ব্যাতীত হওয়ার পরও তিনি নির্বাচিত না হওয়ায় পদত্যাগ করতে হয়েছিল মন্ত্রিত্ব থেকে। এখন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পথ ধরে রাখতে উদ্ভব ঠাকরে কি পন্থাৎনেন সেদিকেই তাকিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহল। তাঁর জোট সঙ্গী কংগ্রেস ও এনসিপি এক্ষেত্রে কি ভূমিকা নেয় সেদিকেও নির্ভর করবে মহারাষ্ট্রে সরকারের ভবিষ্যৎ। বিষয়টির ওপর পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ (Devendra Fadnabish) নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র বিজেপি (BJP)।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news