চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
লাদাখে ভারত-চিন সীমান্তে (Indo China Boarder) দু’দেশের সেনার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের। মঙ্গলবার রাতে রাত ১০ টা নাগাদ সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে যে সরকার স্বীকার করেছে ভারতীয় বাহিনীর অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এই সংঘাতে।দিল্লির একটি সূত্র থেকে জানা যায়, চিনের ৪৩ জন এই ঘটনায় মারা গেছেন। গালওয়ান ঘাঁটিতে এই ঘটনায় চিন ও ভারতের এমন ঘটনা নজিরবিহীন বলে ব্যাখ্যা করেছেন কূটনৈতিক মহল। মঙ্গলবার সকালে নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকের তরফে জানানো হয়েছিল লাদাখে চিনা সেনার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতে ভারতীয় বাহিনীর এক কর্নেল ও দুই জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ঘটনা হল মঙ্গলবার সন্ধে পর্যন্ত আরও অন্তত কুড়ি জন জওয়ান ও অফিসারের সেনা ছাউনিতে ফেরার খবর পাওয়া যাচ্ছিল না।
সন্ধ্যায় এক বিবৃতি জারি করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ফেরানোর জন্য সেনা এবং কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চালাচ্ছে ভারত-চিন। এর আগেও ৬ জুন দু’দেশের মধ্যে কম্যান্ডার পর্যায়ে বৈঠেক হয়। দু’দেশের পক্ষ থেকেই শান্তি বজায় রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়। দু’দেশের মধ্যে উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যে সমঝোতা হয়েছে তা যদি চিন মেনে চলত তা হলে ১৫ জুন রাতে গালওয়ান উপত্যকায় যে রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটেছে তা এড়ানো সম্ভব হত। ১৯৭৫ সালে ভারত-চিন সীমান্তে শেষবার কোনও সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব এক বিবৃতিতে বলেন, “সোমবার বেশি রাতে ওই সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে দু’পক্ষেরই হতাহত হয়েছে। দু’দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে যে সমঝোতা হয়েছে তার শর্ত চিন না ভাঙলে এই সংঘাত এড়ানো যেত”।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news