চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
স্থলসীমা লাগোয়া প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির ভারতে যে কোনও ধরণের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার (Narendra Modi Govt.)। গত শনিবার বিশেষ প্রশাসনিক নির্দেশ জারি করে ভারতের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ নীতিতে বদল আনা হয়েছে। আর সেই নির্দেশিকা যে চীনের (China) স্বার্থের পরিপন্থী, তা বোঝা গেল সোমবার। নয়াদিল্লিতে চীনের দূতাবাসের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদেশি লগ্নির পথে ভারত যে নতুন শর্ত আরোপ করেছে তা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার শর্তকে লঙ্ঘন করেছে। উদার ও মুক্ত বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই নির্দেশনামা পরিপন্থী। আমরা আশা করব যে ভারত এই নীতি বদল করবে এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সব দেশকে সমান দৃষ্টিতে দেখবে, কোনও বৈষম্য করবে না। যাতে মুক্ত ও স্বচ্ছ বাণিজ্যের পরিবেশ বজায় থাকে।
কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য যে চীনের আগ্রাসী বাণিজ্য নীতিকে রুখে দেওয়া তা বুঝতে বাকি ছিল না আন্তর্জাতিক বাজার বিশেষজ্ঞদের। কারণ, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন উন্নত এবং উন্নতিশীল রাষ্ট্রের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে যে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাতে বিনিয়োগ করবে চৈনিক সংস্থাগুলি। পরে তাতে ঘুরপথে কিংবা সরাসরি আধিপত্য কায়েম করবে। চীনের সেই প্রয়াস ব্যর্থ করতেই মোদী সরকার ওই নির্দেশিকা জারি করেছে বলে মনে করছে জাতীয় রাজনীতির কারবারিরা।
কারণ করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে চিনের আগ্রাসী ভূমিকা রুখতেই আগেভাগে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কারণ ভারতের ঋণদানকারী সংস্থা হাউজিং ফিনান্স ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন তথা এইচডিএফসিতে চিনের পিপলস ব্যাঙ্ক অব চায়না ১ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করার পরই এই বিষয়ে সজাগ হয়ে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news