নিজস্ব সংবাদদাতা:
চণ্ডদেশের মাথায় বসে ধর্মাশোক হওয়ার নিদারুণ প্রয়াস চালাচ্ছেন ইমরান খান।
মঙ্গলবারের পর বুধবার আরও একটু গতি পেয়েছে ভারত-পাক সীমান্ত উত্তেজনা। এদিন ইমরানও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক দরবারে নিজের অবস্থান পরিস্কার রাখতে একটি শব্দ ব্যবহার করেছেন, ‘মজবুরী’। তাঁর কথায় নেহাত বাধ্যবাধকতার জন্যে তাঁরা ভারতের বায়ু সীমা লঙ্ঘন করেছেন।
ইমরান বলেছেন, তাঁদের ভূখণ্ডের ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখার পরেই তাঁরা ভারতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। যদিও পাক সংবাদমাধ্যম সোচ্চারে দাবি করেছে ভারতের বায়ু সেনা তাঁদের দেশে কোনও আঁচড় কাটতে পারেনি। উল্টে তাঁদের গলার শিরা ফোলানো দাবি, ভারতবাহিনী পাকসেনার তাড়া খেয়ে পালিয়ে এসেছে। মুখে দাবি করলেও তাঁদের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এমন কোনও প্রমাণ তারা দেখাতে পারেনি। তারা দাবি করেছে, ভারত যে হামলা চালিয়েছে তার ছবি দেখাক। ভারত বলেছে সময় হলেই ছবি দেখানো হবে। ড্রোন থেকে তোলা ছবি এখনই নিরাপাত্তার কারণে দেখানো সম্ভব নয়। পাকিস্তান প্রথমে বলেছিল তারা প্রমাণ দেখাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ার। পরে খারাপ আবহাওয়ার দোহাই দিয়ে তারা সে কাজে অগ্রসর হয়নি। পাক মিডিয়ার গল্পের গরু গাছে ওঠার আগেই ইমরান পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন তাঁদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আর হয়েছে বলেই তিনি প্রতি-আক্রমণে ‘বাধ্য’ হয়েছেন।
নিজের ভূখণ্ডে জঙ্গিদের অভয়াশ্রম করে দেওয়াটা তাঁর বা তাঁদের (তাঁর পুর্বসুরীদেরও ) ব্যর্থতা না বাধ্যবাধকতা নাকি কৌশল তা স্পষ্ট করেননি ইমরান। শুধু বলেছেন, তাঁর দেশেও ৭০০০০ মানুষ জঙ্গি হানার শিকার।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিমধ্যেই বলেছেন, পাকিস্তান যদি জঙ্গি নিকেষ করতে না পারে তাহলে তাদের কাজ হিন্দুস্তানই করে দেবে। এদিন এই কথার কোনও জবাব দেননি ইমরান। মোদীর উদ্দেশে বলেছেন, যুদ্ধ একবার শুরু হয়ে গেলে তার শেষ না তাঁর হাতে থাকবে না মোদীর হাতে। ভারতের বিমান বাহিনীর যে পাইলট পাক সেনার হাতে বন্দি বলে খবর রটেছে, এদিন সে দাবি পাক-প্রধানমন্ত্রীও করেন। তারপরেই প্রশ্ম তোলেন, অতঃ কিম?
আবার আলোচনায় বসার কথা বলেছেন ইমরান। ইসলামাবাদের সঙ্গে আলোচনায় নয়াদিল্লি কী আর ভরসা রাখছে! নজর এখন সেই দিকেই।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news