Breaking News
Home / TRENDING / রাহুল নেতা থাকলে পরের লোকসভা ভোটেও কংগ্রেস জিতবে না, বললেন এআইসিসি নেতা

রাহুল নেতা থাকলে পরের লোকসভা ভোটেও কংগ্রেস জিতবে না, বললেন এআইসিসি নেতা

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

“রাহুল নেতা থাকলে ২০২৪ সালেও কংগ্রেস জিতবে না।” এমনটাই বললেন কংগ্রেসের এক বিক্ষুব্ধ নেতা। সম্প্রতি সনিয়া গাঁধী নতুন সভাপতি নির্বাচনের জন্য চিঠি দিয়ে এআইসিসি শীর্ষ নেতৃত্বের রোষানলে পড়েন ২৩ জন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা। নাম না জানানোর শর্তে ২৩ জনের একজন নেতা দল তথা রাহুল প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছেন। এক জাতীয় সংবাদমাধ্যমকে ওই বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা বলছেন,”আমরা এমন কোনও জায়গায় নেই যাতে বলা যায়, ২০২৪ লোকসভায় রাহুলের নেতৃত্বে কংগ্রেস ৪০০ আসন জিতবে। আমাদের বুঝতে হবে ২০১৪ এবং ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে আমরা যথেষ্ট আসন পায়নি। শিমলা থেকে নাগপুর পর্যন্ত মাত্র ১৬টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। তার মধ্যেও আবার আটটা শুধু পাঞ্জাবেই। আসলে আজ বাস্তবের মাটি অন্য কথা বলছে। দল যদি কোনও বৈঠক ডাকে তাহলে আমি আমার মতামত জানাতে চাই।”

ওই নেতার কথায়, “এটা কোনও ব্যক্তিগত লড়াই নয়। কংগ্রেসের উচিত ভারতের সংবিধান বাঁচানোর জন্য বিজেপির শক্ত বিকল্প হিসেবে উঠে আসা।” প্রসঙ্গত, ২৩ জন বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা চান পূর্ণ সময়ের সভাপতি। যেই কারনে ভারপ্রাপ্ত সভাপতিকে চিঠি লিখে এ-বিষয়ে উদ্যোগী হতে বলেছিলেন। কিন্তু দেখা গিয়েছে, চিঠি পাওয়ার পর এআইসিসিতে সনিয়া-রাহুল ঘনিষ্ঠ নেতারা কোণঠাসা করে দিয়েছেন।সম্প্রতি সভাপতি পদে নির্বাচন চেয়ে ২৩ জন কংগ্রেস নেতা চিঠি পাঠান সনিয়া গাঁধীকে। কিন্তু কংগ্রেস (Congress) ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের আক্রমণের মুখে পড়েন ওই নেতারা। জানা যায় ওই নেতাদের সঙ্গে বিজেপির যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আর রাহুল গাঁধী। পরে অবশ্য এআইসিসির মুখপাত্ররা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে বিদ্রোহী কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চলেছেন সনিয়া গাঁধী। গুলাম নবি আজাদ, আনন্দ শর্মাদের মতো নেতারা যাতে বাদল অধিবেশনে আগবাড়িয়ে কিছু না করতে পারেন তার জন্য কমিটি গড়ে দিয়েছেন তিনি। চিফ হুইপের দায়িত্ব দিয়েছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তথা ১০ জনপথের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত জয়রাম রমেশকে। কংগ্রেস সংসদীয় দল কী কী বিষয় উত্থাপন করবে সে ব্যাপারে আহমেদ পটেল এবং কেসি বেণুগোপালকে দায়িত্ব দিয়েছেন। অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের ছেলে গৌরব গগৈ এবং রবণীত সিং বিট্টুকে লোকসভার সচেতক নিয়োগ করা হয়েছে। রবণীত বিট্টু রাহুল-প্রিয়ঙ্কার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

সনিয়া গাঁধীকে যে ২৩ জন নেতা চিঠি লিখেছিলেন তাঁদের মধ্যে গুলাম নবি আজাদ, মুকুল ওয়াসনিক, আনন্দ শর্মা ও জিতীন প্রসাদ, কপিল সিব্বল, শশী থারুর, মনীশ তিওয়ারি, ভূপিন্দর সিং হুডা প্রমুখ। নতুনদের দায়িত্বে এনে এই সমস্ত প্রবীণ তথা বর্ষীয়ান নেতাদের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন সনিয়া। জাতীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, সভাপতি নির্বাচনের জন্য কংগ্রেস সভানেত্রীর ওপর চাপ তৈরি করার পত্রা খাতকে ভালোভাবে নেয়নি গাঁধী পরিবার। তার জেরেই এবার ক্ষমতা খর্ব হতে চলেছে প্রবীণ নেতাদের।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *