নিজস্ব প্রতিনিধি।
দিল্লি তখন জ্বলে যাচ্ছে। একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রাণভয়ে পালাচ্ছেন বাসিন্দারা। বাইরে কতটা বিপর্যয় চলছে জানতেন প্রেমকান্ত বাঘেল। কিন্ত তাঁর এলাকা শিব বিহারে হিন্দু মুসলমানরা পাশাপাশি থাকেন বরাবর। সুখ দুঃখ আনন্দ বেদনা উৎসব সবই ভাগ করে নেন। কখনও কোনও সমস্যা হয়নি। তখনও বাঘেল জানতেন না যে দিল্লির এই সংঘর্ষ পালটে দেবে সবকিছু। সেদিন প্রেমকান্ত অমানুষিক চিৎকার শুনে ছুটে এসেছিলেন বাইরে। দেখতে পান পড়শি মুসলমানদের বাড়ি গুলি পরপর দাউদাউ করে জ্বলছে।
আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বাড়িগুলিতে। ভিতরে আটকা পড়েছেন অনেকে। আগু পিছু কিছু ভাবেন নি প্রেমকান্ত। ঝাঁপিয়ে পড়েন আক্রান্তদের বাঁচাতে। ছয় জনকে বাঁচালেন পাড়লেন যখন তখন তাঁর নিজের জীবনই বিপন্ন। আগুনে শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। কিন্তু অবস্থা এমনই যে সেই মুহূর্তে হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। পুলিশের দেখা নেই।আর বাইরে উন্মত্ত জনতা তাণ্ডব করে বেড়াচ্ছে। ভয়ানক কষ্ট নিয়ে সারা রাত কাটানোর পর বাঘেলকে পরের দিন সকালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।তাঁর অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news