Breaking News
Home / TRENDING / রাজ্যপাল – রাজ্য সরকারের সংঘাতকে ‘রাজনৈতিক সার্কাস’ বলে কটাক্ষ সোমেন মিত্রর

রাজ্যপাল – রাজ্য সরকারের সংঘাতকে ‘রাজনৈতিক সার্কাস’ বলে কটাক্ষ সোমেন মিত্রর

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) ও রাজ্য সরকারের ক্রমবর্ধমান সংঘাতের ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক সার্কাস’ বলে কটাক্ষ করলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র (Somen Mitra)। ঘটনায় প্রকাশ, বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় রাজ্য শিক্ষা দপ্তরকে আক্রমণ করে বলেন, “রাজ্যে শিক্ষার পরিস্থিতি রীতিমতো উদ্বেগজনক। সাম্প্রতিক কালে যাঁরা কলেজে ভর্তি হয়েছেন, তাদের আর্থিক ভাবে রীতিমতো শোষণ করা হয়েছে। গত ২ বছর ধরে এই পরিস্থিতি চলছে রাজ্যে।” তিনি আরও বলেনরা, “রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার মান ক্রমেই নামছে এই রাজ্যে। প্রাক্তন উপাচার্যরাও এ নিয়ে একমত। বর্তমানের ২৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষামন্ত্রীও নিশ্চয়ই এ বিষয়টি জানেন‌।”


রাজ্যপাল বলেছেন, “কোনও দেশ ঠিকঠাক শিক্ষা পেলে তবেই এগোতে পারে। রাজ্যের মানুষের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতার কথা বলাই আমার কাজ।” প্রসঙ্গত, বুধবার রাজভবনে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করেছিলেন রাজ্যপাল। সেখানে বেশিরভাগ উপাচার্য যোগ দেননি। সেই ঘটনার পর থেকে খুব্ধ ছিলেন রাজ্যপাল। টুইট করে তিনি বলেছিলেন, “ভার্চুয়াল কনফারেন্সে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সহ-উপাচার্যের থেকে অনেক কিছু জানার সুযোগ হল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে অন্য উপাচার্যরা ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থের কথা ভাবলেন না। তাঁরা বৈঠকে থাকেননি। বিদ্যার্থীদের স্বার্থের পরিপন্থী কিছু মানব না। ১৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টায় সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে মিলিত হয়ে যা বলার বলব।” নিজের ঘোষণা মাফিক এদিন সকালে রাজভবনের সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য সরকার তথা শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি নিজের খবর দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।ঘটনায় নড়েচড়ে বসে উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৯ সালে রুল আনা হয়েছে। সেই রুল অনুযায়ী, রাজ্যপাল তথা আচার্য কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সরাসরি করতে পারবেন না। আলোচনা বা প্রস্তাব পাঠাতে হলে তা করতে হবে উচ্চশিক্ষা দফতর মারফত। সেই রুল অনুযায়ী রাজ্যপালের ভার্চুয়াল সভায় যোগ দেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

রাজ্যপাল ও শিক্ষা দপ্তরের সংঘাত কোনও নতুন ঘটনা নয়। গত এক বছরে রাজভবন ও নবান্নের (Nabanna) সংঘাত প্রায় ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছে। রাজ্যপাল ও রাজ্য সরকারের এহেন সংঘাত প্রসঙ্গে তীব্র প্রকাশ করেছেন সোমেন মিত্র। এ প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, “করোনায় মানুষের মৃত্যুমিছিল চলছে, হাসপাতালে বেড নেই, চিকিৎসার অভাবে মানুষ মরছে পশ্চিমবঙ্গে। দিনে-দুপুরে খুন-রাজহানি লেগেই আছে এ রাজ্যে। আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ নিয়েও চলছে নির্লজ্জ দুর্নীতি।” সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের (Congress) সভাপতি বলেছেন, “অথচ, যখন প্রয়োজন মানুষের প্রতি সহানুভূতি ও সহমর্মিতার পদক্ষেপ তখন রাজ্যের মাননীয় রাজ্যপাল এবং শাসক তৃণমূলের রাজনৈতিক সার্কাস দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়ছি।”

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *