নীল রায়।
রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে (Jagdeep Dhankhar) উদ্দেশ্য করে ‘তু চিজ বড়ি হ্যা মস্ত মস্ত’ গান গাইলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার ‘সংবিধান দিবস’-এর অনুষ্ঠানে নিজের বক্তৃতা শেষ করে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এরপর এই বক্তৃতা শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তেড়ে আক্রমণ করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে। বক্তৃতার শেষে রাজ্যপালকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে একটা হিন্দি সিনেমার গান মনে পড়ছে ‘তু চিজ বড়ি হ্যায় মস্ত মস্ত!” পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে বিধানসভার অধিবেশন বা কোনও জনসভা বা প্রকাশ্যে এমন চটুল গান কোনও মুখ্যমন্ত্রী গেয়েছেন কিনা স্মরণাতীত! যদিও, সেই অংশটি মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন বিধানসভা ছাড়ার আগে রাজ্যপালের পেছন থেকে ‘জয় বাংলা’, ‘জয় হিন্দ’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল বিধায়করা। মুহূর্তের জন্য থমকে যান ধনখড়। তারপর প্রতি নমস্কার করে বেরিয়ে যান তিনি।
বিধানসভায় ‘সংবিধান দিবস’-এর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সেই মতো মঙ্গলবার বিধানসভায় আসেন তিনি। প্রবেশ পথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা হাজির ছিলেন। রাজ্যপাল সকলের উদ্দেশ্যে নমস্কার জানিয়ে সোজা বিধানসভার ভেতরে ঢুকে যান। একবারের জন্যেও মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল মুখোমুখি হননি।
এরপর স্পিকারের আসনে বসে রাজ্যপাল যখন তাঁর বক্তব্য শুরু করেন তখন তৃণমূল বিধায়কদের একাংশ চিৎকার শুরু করলেও মুখ্যমন্ত্রীর ইশারাতে থেমে যান। এদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই বাংলা থেকেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এক দেশ, এক সংবিধানের কথা বলেছিলেন। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ তারই উদাহরণ। ২০১৫ সাল থেকে ‘সংবিধান দিবস’ পালনের জন্য মোদি সরকারেরও প্রশংসা করেন তিনি।
নিজের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে যখন সিঁড়ি দিয়ে নামছিলেন রাজ্যপাল, তখন প্রায় ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে বেরিয়ে যাওয়ার সময়েও মুখ দেখাদেখি পর্যন্ত হয়নি।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news