নীল রায়।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) ও রাজ্যপালের সংঘাত বহাল রইল। এবারের সমাবর্তনে কাদের ডি’লিট-ডিএসসি দেওয়া হবে আর কাদের নয়, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব হয় দু’পক্ষের মধ্যে। সূত্রের খবর, কবি শঙ্খ ঘোষ, সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় , সি এন আর রাও এবং আইনজীবী সলমন হায়দার-সহ চারজনের নাম প্রস্তাব করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সলমন হায়দারের ক্ষেত্রে আপত্তি জানিয়েছিলেন আচার্য। যদিও পরে সহমত পোষণ করে কর্তৃপক্ষের দাবি মেনে নেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে (Babul Supriyo) অতি বাম ছাত্র সংগঠনগুলি হেনস্তার পরে তাঁকে উদ্ধার করতে যাদবপুরে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সেই ঘটনার পর আচার্য হিসেবে এদিন কোর্টের বৈঠকে যোগ দিতে যান তিনি।
আগামী ২৪ ডিসেম্বর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান। তার আগে নিয়মমাফিক শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা কোর্টের বৈঠক ছিল। তাতেই নজিরবিহীনভাবে সামিল হন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বৈঠকে ডি’লিট-ডিএসসি কাদের দেওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে চারজনের নাম প্রস্তাব করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রাজ্যপালকে জানানো হয় এই তালিকায় রয়েছেন কবি শঙ্খ ঘোষ, আইএসআই-এর অধিকর্তা সংঘমিত্রা চৌধুরি, বিজ্ঞানী সি ভি রমন এবং সলমন হায়দার।
সূত্রের খবর, শঙ্খ ঘোষ (Shankha Ghosh), সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় , সি এন আর রাওয়ের ক্ষেত্রে কোনও আপত্তি করেননি রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। একমাত্র সলমন হায়দারের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে বলেন তিনি। কোর্টের সদস্যরা দাবি করেন, সলমন হায়দারকেও সম্মানিত করতেই হবে। রাজ্যপাল-বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সংঘাতের মাঝেই কোর্টের বৈঠকে ভোটাভুটি শুরু হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিরিখে জিতে যান সলমন হায়দার। বাধ্য হয়েই আচার্য তথা রাজ্যপালকে মেনে নিতে হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news