নীল রায়।
সরস্বতী পুজোর দিনই ‘এডুকেশনাল ফেস্টিভ্যালে’র আয়োজনের কথা ঘোষণা করে বিভ্রান্তি ছড়ালেন স্বয়ং শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterji)। মঙ্গলবার রাতে আচমকাই নিজের নাকতলার বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন তিনি। সেখানেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানেই স্থির হয়েছে আগামী জানুয়ারী মাসের ৩০ ও ৩১ তারিখে রাজারহাট নিউটাউনের কনভেনশন সেন্টারে বসবে ‘এডুকেশনাল ফেস্টিভালে’র আসর।
শিক্ষামন্ত্রী এমন ঘোষণার পরই প্রশ্ন উঠেছে, সরস্বতী পুজোর দিন কীভাবে ‘এডুকেশনাল ফেস্টিভাল’ হবে? কারণ ওই দিনটিতে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বাগদেবীর আরাধনা হয়। সারাদিন সরস্বতী পুজো নিয়েই মেতে থাকেন ছাত্রছাত্রীরা। ‘এডুকেশনাল ফেস্টিভাল’ আয়োজন করার উদ্দেশ্য যখন ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন। তখন কেন যেদিন ছাত্রছাত্রীরা উৎসব নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন, সেই দিনেই ‘এডুকেশনাল ফেস্টিভ্যালে’র আয়োজন করছে রাজ্য সরকার?
এমন প্রশ্ন ওঠার পেছনে আরও কারণ রয়েছে। এদিনই নবান্ন (Nabbana) থেকে প্রকাশিত হয়েছে ২০২০ সালের ছুটির ক্যালেন্ডার। সেই ক্যালেন্ডারে নজর দিলে দেখা যাবে, জানুয়ারি মাসের ৩০ ও ৩১ তারিখ সরস্বতী পুজো উপলক্ষে ছুটি দিয়েছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতি ও শুক্রবারের ছুটির সঙ্গে শনি ও রবিবারের ছুটি যোগ করলে মোট চার দিন সরকারি কর্মীরা ছুটিতে থাকবেন। এমতাবস্থায় কীভাবে ‘এডুকেশনাল ফেস্টিভাল’ হবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
প্রসঙ্গত, এমনি সব বিভ্রান্তির উত্তর না দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘এডুকেশনাল ফেস্টিভ্যাল’ (Educational Festival) আয়োজন করার জন্য একটি কমিটি গঠন করবে রাজ্য সরকার। মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে এই কমিটিতে থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব, কলকাতা, যাদবপুর ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা। প্রয়োজন হলে এই কমিটিতে সংযোজন হতে পারে আরও কিছু নাম, এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news