জয় ঘোষ
সাত সকালেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ঘিরে ধুন্ধুমার লেকটাউন। শুক্রবার সকালে ‘চা চক্রে দিলীপদা’ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল লেকটাউনের দক্ষিণদাঁড়িতে। এদিন সকালে দলীয় কর্মসূচি করতে লেকটাউনের একটি চায়ের দোকানে যান তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যেই দিলীপ ঘোষকে ঘিরে ধরে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তৃণমূল কর্মী- সমর্থকরা। বিজেপিকে সভাপতিকে আক্রমণ করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা। একসময় পুলিশের সামনেই তৃণমূল-বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি বেঁধে যায়। কিন্তু, বেপরোয়া দিলীপ সেখানে বসেই কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন। এমতাবস্থায়, “গো ব্যাংক দিলীপ ঘোষ” ও পাল্টা “দিলীপ ঘোষ জিন্দাবাদ” স্লোগানে উত্তপ্ত হতে থাকে এলাকা। পরে পরিস্থিতি বুঝে বাধ্য হয়েই এলাকা থেকে চলে যান মেদিনীপুরের সাংসদ। বিজেপির অভিযোগ, প্রায় আড়াই-তিনশো তৃণমূল কর্মী জড়ো হয়ে বিজেপি সভাপতির ওপর হামলার ছক কষছিলেন।
এ বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন,” এটা দেখে আমার খুব ভালো লাগছে। যে তৃণমূল আমাকে ভয় পায়। ওরা আমাকে পাবলিসিটি দেয়। তা ওদের ধন্যাবাদ। আমি সব পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকি। আমার ওপর হামলা কোনও নতুন ঘটনা নয় আগেও ঘটেছে।” প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে মেদিনীপুর থেকে জয়ী হওয়ার পর দিলীপ ঘোষের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বর্তমানে ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান তিনি। প্রায় ৩২ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান তাঁকে ঘিরে থাকে। নিরাপত্তাজনিত কারণে সম্প্রতি বাসা বদল করেছেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু তাতেও যে পরিস্থিতি বদল হয়নি তা বোঝা গেল।
এদিন দিলীপ ঘোষ দক্ষিণদাড়ি এলাকায় যাওয়া মাত্রই জড়ো হতে শুরু করেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। যে দোকানে বসে দিলীপ ঘোষ চা খাচ্ছিলেন, সেখানেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো শুরু হয়। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর বেষ্টনিতে থাকা দিলীপ ঘোষকে এবার আর শারীরিকভাবে আক্রমণ করা সম্ভব হয়নি বলেই জানিয়েছে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। তবে এলাকায় গোলমালের জন্য তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিকেই আঙুল তুলেছেন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news