চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হলেন কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) প্রাক্তন গোয়েন্দাপ্রধান পল্লব কান্তি ঘোষ। এই মরণ ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মারা গেলেন তাঁর স্ত্রী। শনিবারই প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান, তাঁর স্ত্রী ও ছেলের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। তাতে দেখা যায় স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই করোনার রিপোর্ট পজিটিভ। একমাত্র ছেলের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। রিপোর্ট পজিটিভ আসায় প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্যদিকে, বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন পল্লবকান্তি ঘোষের স্ত্রী। বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন তিনি। সেখানে আইসোলেশনে ছিলেন প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান ও তাঁর ছেলেও। শুক্রবার রাত থেকেই প্রবল শাসকষ্ট শুরু হয় পল্লববাবুর স্ত্রীর। শনিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যায় মারা যান তিনি।
ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় দুই পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ৭ জুন মৃত্যু হয়েছে শেক্সপিয়র সরণি থানার এক কনস্টেবলের। ১৩ জুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কলকাতা পুলিশের আরও এক কনস্টেবলের মৃত্যু হয়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে হাওড়াতেও। মৃত গৌতম পট্টনায়েক চ্যাটার্জিহাট থানার সাব ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। ৭ জুলাই সকালে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান তিনি। গত শনিবার কসবা থানার ৭ পুলিশকর্মী এবার করোনা আক্রান্ত হন।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে পুলিশ মহলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই সংক্রমণ প্রসঙ্গে সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। শনিবার বিকেলে নবান্নের (Nabanna) সাংবাদিক সম্মেলন করে করোনা পরিস্থিতি আয়ত্তে রয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজ্যের মুখ্য সচিব (Chief Secretary) রাজীব সিনহা। তিনি দাবি করেছেন, “করোনা যে গতিতে এগোচ্ছে, তার চেয়ে বেশি গতিতে আমরা এগোচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, বলেন, বেশি সংক্রমণ হচ্ছে যে জেলাগুলিতে, সেই রকম পাঁচটি জেলাকে নিয়ে একটি ক্লাস্টার করা হচ্ছে। সেই জেলাগুলি হল, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হুগলি। এর আগেই চার জেলায় নতুন চার জন নোডাল অফিসার নিয়োগ করেছিল নবান্ন।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news