Breaking News
Home / TRENDING / ‘কুখ্যাত’ সিপিএম নেতারা কংগ্রেসের ‘গঙ্গা’য় ডুব দিতে তৈরি, কিন্তু

‘কুখ্যাত’ সিপিএম নেতারা কংগ্রেসের ‘গঙ্গা’য় ডুব দিতে তৈরি, কিন্তু

নীল রায়:

অদ্ভুত বাতাবরণ তৈরি হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের অন্দরে। “কুখ্যাত” সব সিপিএম নেতারা এখন কংগ্রেসের “গঙ্গা”য় ডুব দিতে আগ্রহী। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর গোষ্ঠী তাদের সকলকেই দলে স্বাগত জানাতে আগ্রহী। অপরদিকে, বিবাদমান আব্দুল মান্নান ও অধীর চৌধুরীর গোষ্ঠী সমস্ত “দুর্ধর্ষ কমরেড”দের আটকাতে তৎপর। পরিস্থিতি এমনটাই যে লক্ষ্মণ শেঠের গাড়ি বিধান ভবনের বাইরে অপেক্ষারত। সোমেন মিত্রের সবুজ সংকেত পেলেই প্রদেশ দফতরে এসে হাতে তুলে নেবেন তেরঙ্গা পতাকা। এবং তার পথ ধরে একে একে সুশান্ত ঘোষ, মজিদ মাস্টারের মত নেতারা আশ্রয় নেবে বাংলা কংগ্রেসের ছাতার তলায়। এনিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের অন্দরে নানারকম ব্যাখ্যা রয়েছে। একপক্ষ যেমন চাইছে সভাপতির দাবি মেনে, তৃণমূল-বিজেপির মোকাবিলা করতে কংগ্রেসে নেওয়া হোক এই সব কুখ্যাত নেতাদের। অপরপক্ষ দাবি করছে “লক্ষণ-সুশান্ত-মজিদ”দের মতো “কুখ্যাত” নেতাদের দলে নিলে আখেরে কংগ্রেসের বিশ্বাসযোগ্যতা বলে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। কারণ এক সময় এই সমস্ত নেতাদের হাতেই কংগ্রেসের নিচুতলার কর্মীরা নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছেন, ঘরছাড়া হয়েছেন, হয়েছেন খুনও। কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেসের রাজনীতির শিকার হওয়ার আশঙ্কায় কেউ এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না বা মতামত প্রকাশ করছেন না।

এ প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সংখ্যালঘু সেলের চেয়ারম্যান বিধায়ক রশিদ মিল্টন বলেন, “আমি দলের একজন সাধারণ কর্মী। এসব ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার আমার হাতে নেই। তাই প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব যে সিদ্ধান্তই দেবে আমি তাদের সঙ্গেই রয়েছি।” প্রায় একই সুর কথা বলেও, নেতাদের ঘুরপথে বার্তা দিতে চাইছেন জঙ্গিপুরের সাংসদ অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ তথা এআইসিসির সদস্য বিপ্রদাস চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “ইতিহাস কারও অজানা নয়। কে কখন কোথায় কী করেছে তা ইতিহাস জানে। আমাদের বরিষ্ঠ বর্ষিয়ান নেতারাও সে সব ইতিহাস ভালোভাবেই জানেন। এ বিষয়ে আমার কোনও মন্তব্য করা উচিত হবে না।‌ তবে এটুকু বলতে পারি নেতারা ইতিহাস বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।” কোনও রাখঢাক না করেই অধীর চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ চক্রবর্তী বলেন, “আমরা এখনও সুশান্ত ঘোষ বা মজিদ মাস্টারের কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে কিছুই জানি না। কিন্তু এটুকু বলব লক্ষ্মণ শেঠ, সুশান্ত ঘোষ ও মজিদ মাস্টারের মত নেতারা কোনও দলের সম্পদ হতে পারে না। ওদের দলে নেওয়া মানে দলের ক্ষতি করা।”

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *