Breaking News
Home / TRENDING / সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলার মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা কো-অর্ডিনেশন কমিটির
New Delhi: West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee addresses a press conference, in New Delhi, Thursday, Feb. 14, 2019. (PTI Photo/Atul Yadav) (PTI2_14_2019_000113B)

সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলার মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা কো-অর্ডিনেশন কমিটির

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো ।

৮ জুন থেকে রাজ্যের সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি অফিসগুলিতে ১০০ শতাংশ কর্মচারী নিয়েই কাজ শুরু হবে শুক্রবার নবান্নে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আজ মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেন রাজ্যের কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Co-Ordination Committee)। রাজ্যের কো-অর্ডিনেশন কমিটি একটি বিবৃতি দিয়ে জানায়, ৮ জুন থেকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলিতে ১০০ শতাংশ উপস্থিতির হওয়ার কথা বলেছেন। অথচ কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য পরিবহনের সুব্যবস্থার বিষয়ে কোনও কথা উল্লেখ করেননি। ট্রেন, বাস না চললে কিভাবে কর্মীরা হাজিরা দেবেন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি সব সিট পিছু প্যাসেঞ্জার নিয়ে বাস চালানোর নির্দেশ কার্যকরী হলেও শুধু শারীরিক নয়, সামাজিক ও শারীরিক উভয়বিধ দূরত্ব বিধি লঙ্ঘিত হবে বলে জানানো হয় ওই বিবৃতিতে।

অন্যদিকে নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে ১০০ শতাংশ উপস্থিতির কথা মুখ্যমন্ত্রী বললেও, কিছুক্ষণ একটি টুইট করে তিনি জানান, ১০০ শতাংশ নয় ৭০ শতাংশ হাজিরা থাকতে হবে। তা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, গণপরিবহন ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু না হলে ৭০ শতাংশ কর্মীরও হাজিরা দেওয়া অসম্ভব। কারণ বেসরকারি বাস এখনও পর্যন্ত চালু করতে পারেনি সরকার। সরকারি বাস চললেও সংখ্যায় অনেক কম। আবার ট্রেন এখনই চালু হচ্ছে না। ফলে যাঁরা বিভিন্ন জেলা বা শহরতলি থেকে ট্রেনে করে যাতায়াত করেন, তাঁরা কিভাবে হাজিরা দেবেন। এ প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র (Somen Mitra ( বলেছেন, “লকডাউন সারা জীবনের জন্য থাকতে পারে না এটা ঠিকই। তবে সব কিছু খুলে দিলে যে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকবে সেটা মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের আছে তো ? মহামারীর মত অবস্থা তৈরী হলে তার দায় ভার মুখ্যমন্ত্রী নেবেন তো ?”

বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty) বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী ১ জুন থেকে মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদুয়ারা খোলার কথা বলেছেন। ৮ জুন থেকে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিস ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করার কথা বলেছেন। অথচ এখনও পুরোপুরি ট্রেন চলাচল শুরু হয়নি। সবরকম বাস পরিষেবাও শুরু করা যায়নি। আর এদিকে দেশ তথা রাজ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। এই সময় মুখ্যমন্ত্রী কেন সাধারণ মানুষকে কেন গিনিপিগ বানাতে চাইছেন ? আর যদি সত্যি সত্যিই মুখ্যমন্ত্রী সরকারী কাজ শুরু করতে চান, তাহলে সবার আগে বিধানসভা খুলে দিন। কারণ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণেই বিধানসভা অধিবেশন মাঝপথে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।”

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *