Breaking News
Home / TRENDING / চিন কথা রাখে না! উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল গালোয়ানে আবার কাঠামো নির্মাণ করছে লাল ফৌজ

চিন কথা রাখে না! উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল গালোয়ানে আবার কাঠামো নির্মাণ করছে লাল ফৌজ

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

ফের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ চিনের ! শুধু তাই নয়, এবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সেনাবাহিনীর জমায়েতের বৃদ্ধির পাশাপাশি, পাকা নির্মাণ কাজ শুরু করে দিয়েছে পিপলস লিবারেশন আর্মি। গত ১৫ জুন যে গালওয়ান ঘাঁটিতে ভারত ও চিন দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। তারপর দিন ১৬ জুনের উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, পেট্রল পয়েন্ট ১৪-এর কাছে সামরিক বাহিনীর জন্য কাঠামো নির্মাণ শুরু করেছে চিনা ফৌজ। ২২ জুনের উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে ওই স্থানে নতুন তাঁবু ও ছাউনিও তৈরি করছে তারা। উপগ্রহ চিত্রে আরও দেখা যাচ্ছে, প্রথমবার এই এলাকায় গালওয়ান নদীর উপর কালভার্ট তৈরি করেছে চিন। কালভার্টের ওপর দিয়ে পিপলস লিবারেশন আর্মির ট্রাক নদী পার হচ্ছে।

গালওয়ান নদীর পাশে যে রাস্তা তা আগের তুলনায় অনেক বেশি চওড়া হয়েছে বলে উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে। ১৬ জুনের ছবিতে যেখানে বুলডোজারের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল, সেখানেই এই কালভার্টগুলি তৈরি হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ওই বুলডোজার দিয়ে পাথর ফেলে নদীর প্রবাহ কমিয়ে কালভার্ট তৈরি করেছে চিনা সেনারা। অথচ ভারত-চিন দু’দেশের মধ্যে হওয়া এই শান্তি চুক্তিতে বলা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার দু’দিকে দু’দেশের তরফে যতটা কম সম্ভব ততটা সেনা রাখতে হবে। কোনওরকমের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে লড়াই করা যাবে না। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে হবে। কিন্তু সেই চুক্তি পিপলস লিবারেশন আর্মি (People Liberation Army) লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ ভারতের। গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সেনাবাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনার পর চিনা সররকারের উদ্যোগেই সেনা স্তরে বৈঠকে সহমতের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী সরানোর সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু, সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার বদলে সীমান্তে আরও বেশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে শিং জিনপিংয়ের সরকার (Xi Jinping Govt.)।

উপগ্রহের চিত্র প্রকাশ্যে আসার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “৬ জুন দু’তরফের মধ্যে সেনার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছিল। ভারত ও চিন, দু’দেশই এই চুক্তিতে রাজি হয়েছিল। তাই দু’দেশেরই উচিত ছিল সেই চুক্তির সিদ্ধান্ত মেনে চলা। কিন্তু চিনের তরফে তা মানা হয়নি। অতীতেও এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এই বছর চিনা সেনা যে ধরনের কাজ করছে তা সব ধরনের চুক্তির শর্তকে লঙ্ঘন করেছে। ১৫ জুনের হামলার জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী চিন। তারাই আগ্রাসী ভঙ্গিতে হামলা চালিয়েছিল।” বিদেশ মন্ত্রালয় আরও জানিয়েছে, “এই বিষয়ে বলা যেতে পারে মে মাস থেকে লাদাখে ঘাঁটি গেড়েছিল চিন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পাশে প্রচুর পরিমাণে সেনা ও অস্ত্রশস্ত্র মজুত করেছিল চিন। ১৯৯৩ সালে দু’পক্ষের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল সেই চুক্তি ভঙ্গ করে এই কাজ করেছে চিন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার দুদিকে ভারত ও চিনের মধ্যে যে শান্তি চুক্তি হয়েছিল তা ভঙ্গ করেছে চিন।”

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *