Breaking News
Home / TRENDING / চিনা কমিউনিস্ট পার্টিকে দুর্বৃত্ত বলে আক্রমণ মার্কিন বিদেশ সচিবের

চিনা কমিউনিস্ট পার্টিকে দুর্বৃত্ত বলে আক্রমণ মার্কিন বিদেশ সচিবের

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

“প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি দুর্বৃত্তের মতো আচরণ করছে।” এই ভাষাতেই চিনের কমিউনিস্ট পার্টিকে আক্রমণ করলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) বিদেশ সচিব মাইক পম্পিও। ১৫ জুন লাদাখ সীমান্তে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের ওপর পিপলস লিবারেশন আর্মির (People Liberation Army) অতর্কিত হামলার ঘটনায় গোটা বিশ্বে সমালোচিত হচ্ছে। সেই ঘটনার নিন্দা করে এদিন মার্কিন বিদেশ সচিব বলেছেন, “প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি শুধু দুর্বৃত্তের মতো আচরণ করছে তা নয়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়েও গোটা দুনিয়াকে মিথ্যা কথা বলেছে। সেই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে তা ঢাকা চাপা দিতে চাপ দিচ্ছে। ওদের কারণেই গোটা দুনিয়ায় লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছেন”। তিনি আরও বলেছেন, “বহু বছর ধরে পশ্চিমী দুনিয়া এই আশা করছিল যে চিনা কমিউনিস্ট পার্টিতে বদল আসবে। তাতে চিনের মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়বে। সে কথা বলে চিনা কমিউনিস্ট পার্টি বরাবরই আমাদের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রেখে চলার কথা বলেছে। কিন্তু তা অছিলা মাত্র।”

শুধু ভারতেই নয়, চিনের অন্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র তাইওয়ান, ব্রুনেই, ফিলিপিনস ও ভিয়েতনামের সঙ্গেও চিনের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। চিনের সীমান্ত আগ্রাসন ও দক্ষিণ চিন সাগরে তাদের দাদাগিরি কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে না প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলি। এদিন সেই কথাই উঠে এসেছে মাইক পম্পিওর বক্তব্যে। মার্কিন বিদেশ সচিব বলেছেন, “চিনা ফৌজ পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের সঙ্গে সীমান্ত উত্তেজনা বাড়িয়েছে। দক্ষিণ চিন সাগরেও সামরিক থাবা বসিয়েছে তারা। তার ফলে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে বিপদ তৈরি হয়েছে। তারা এতটাই আগ্রাসী যে আরও আরও ভূখণ্ডের অধিকার নিতে চায়।” তিনি আরও বলেন, “চিনের মুসলিমদের দমনের জন্য সবুজ সংকেত দিয়েছেন জেনারেল সেক্রেটারি শিং জিনপিং। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এমন মানবাধিকার লঙ্ঘন গোটা বিশ্বে আর কোথাও হয়নি। আর এখন চিনা ফৌজ ভারত সীমান্তেও উত্তেজনা বাড়াচ্ছে”।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর পিপলস লিবারেশন আর্মির অতর্কিত হামলা ও হত্যার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মার্কিন সেনেটে চিনের সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন সেনেটর মেজরিটি লিডার মিচ ম্যাককোনেল। তিনি বলেন, “১৯৬২ সালের পর ভারত ও চিনের মধ্যে সবথেকে বড় সংঘর্ষের প্রধান কারণ হল জমি। ভারতের এলাকা দখলের জন্যই নিজেরা এগিয়ে এসে সংঘর্ষ করেছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি।” তিনি আরও বলেন, “আমেরিকা ও তার সহযোগী দেশগুলির সামনে এই মুহূর্তে সবথেকে বড় শত্রুর নাম হল চিন। তারা চাইছে ধীরে ধীরে এভাবেই আগ্রাসন নীতি নিয়ে নিজেদের দেশের সীমানা বিস্তার করতে।” এদিন সেই ভাষাতেই চীনের কমিউনিস্ট শাসকদের দুর্বৃত্ত বলে আক্রমণ করেছেন মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পিও (Mike Pompeo)।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *