Breaking News
Home / TRENDING / লকডাউনে বাড়ছে শিশুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনাও

লকডাউনে বাড়ছে শিশুদের ওপর অত্যাচারের ঘটনাও

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

লকডাউনে বাড়ির বাচ্চাদের ওপর হিংসার ঘটনা বাড়ছে ক্রমাগত। সারা দেশে তো বটেই, ভোপালে এখন নিয়মিত পুলিশ স্টেশন বা চাইল্ড হেল্প লাইনে সাহায্য চেয়ে ফোন করছে বাচ্চারা। ফোন আসছে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার তাদের মা –দের কাছ থেকেও। বুধবার এরকমই একটা ফোন আসে নেহেরু নগরের এক কিশোরীর কাছ থেকে। বিপর্যস্ত কিশোরী জানায় তার বাবার মদের স্টক শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকেই তার বাবা হিংস্র আচরণ করছেন বাড়ির সবার সঙ্গে। স্ত্রীকে মারধর করছেন। বাচ্চার ওপর অত্যাচার করছেন। মেয়েটি পুলিশকে ফোনে বলেছে যে সে আর বাড়িতে থাকতে চায় না।

এরকমই একটি ঘটনার কথা বলেছেন ভোপালের ভোপালের চাইল্ড হেল্পলাইনের ডিরেক্টর অর্চনা সহায়। কিছুদিন আগে মদ না পেয়ে এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী এবং বাচ্চাকে এমন মারধর করে যে মহিলা এই সংক্রমণের মধ্যে রাতেই বাচ্চাটিকে নিয়ে এক বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে গিয়ে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। অর্চনা সহায় জানিয়েছেন লকডাউনের পর থেকে অন্তত ৬৫ টি এই ধরণের ফোন তাঁদের কাছে এসেছে। বাকি দেশেও অবস্থা অনেকটা একই।

কিছুদিন আগে পঞ্জাবে এক মহিলা পুলিশকে ফোন করে জানান, তাঁর স্বামী তাঁদের বাচ্চাকে প্রচণ্ড মারধর করেছেন কারণ লকডাউনে তাঁদের পরিবারে ঘোর অনিশ্চয়তা নেমে এসেছে। দিনমজুরের স্ত্রী ওই মহিলা বলেন কাজ না থাকার ভয় আর চিন্তায় তাঁর স্বামী তাঁকেও রীতিমত মারধর করছেন। কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল লকডাউনে গার্হস্থ্য হিংসা বাড়ছে। তার মধ্যেই উঠে এল লকডাউনের এই মারাত্মক দিকের কথাও।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *