নীল রায়। ভবানী ভবনে রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সন্ধ্যায় আচমকাই ভবানী ভবনে আসেন তিনি। ভবানী ভবনে রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগের (সিআইডি) সদর দফতর। এডিজি সিআইডি রাজীব কুমারের অফিসও সেখানেই। সূত্রের খবর, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি সি বীরেন্দ্র, রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্থ এবং এডিজি আইনশৃঙ্খলা জ্ঞানবন্ত সিং-সহ পুলিশের আরও কয়েক জন পদস্থ কর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় একঘণ্টা বৈঠক চলে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্তাদের।
বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রুটিন বৈঠক হয়েছে পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে। তা সত্ত্বেও রাজনৈতিক মহলে মুখ্যমন্ত্রীর আচমকাই বৈঠক নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর নবান্নে বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা। মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও শুভেন্দু অধিকারী বেশকিছু পুলিশকর্তার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সম্প্রতি বেশকিছু বৈঠকে দলীয় নেতাদের তৃণমূল সুপ্রিমো নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ নির্ভর রাজনীতি বন্ধ করতে। তাই মনে করা হচ্ছে উচ্চপদস্থ কর্তাদের দিয়ে রাজ্য পুলিশে বার্তা দিতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু কি সেই বার্তা? তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তৃণমূলের অন্দরেই।
ব্যারাকপুর বনগাঁ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। এই বৈঠককে কী সেই সব সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে? এমন প্রশ্নও উঠে আসছে। আপাতত ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোরের সৌজন্যে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে রাজ্যে মুক্ত বাতাস দিতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁর নির্দেশেই কী রাজ্য পুলিশকে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দিতে চান মুখ্যমন্ত্রী? সেই প্রশ্নও জোরালো হচ্ছে প্রশাসনিক মহলে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news