নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিজেপির বক্তব্য, আজ ব্রিগেডে ‘চোরে’রা এক হয়েছে। এ নিশ্চয়ই বিরোধী রাজনীতির বিরোধীতা! তবু, এ কথা সত্যি যে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ব্রিগেড সভামঞ্চের ইউনাইটেড ইন্ডিয়া র্যালিতে গোটা দেশের যে সব নেতা, মন্ত্রী, সান্ত্রিরা যোগ দিয়েছেন, দুর্নীতির প্রশ্নে তাঁদের অনেকের বিরুদ্ধেই রয়েছে বড়সড় অভিযোগ। এদের অনেকেই জেল খেটেছেন এক বা একাধিক বার। অনেকে আবার জামিনে বাইরে আছেন। একে একে জেনে নেওয়া যাক মমতার ডাকে রাজ্যে আসা কোন কোন নেতার বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ রয়েছে।
হার্দিক প্যাটেল: সংগঠিত দাঙ্গার অভিযোগ। যে কারণে এই মুহূর্তে তিনি বিশেষ জামিনে জেলের বাইরে।
জিগ্নেশ মেভানি: মুম্বাইয়ে গত বছরের একটি দাঙ্গার ঘটনায় অভিযুক্ত। তদন্ত চলছে। তদন্ত করছে মুম্বাই পুলিশ।
হেমন্ত সোরেন: একাধিক মামলায় দু’দফায় জেল খেটেছেন। বর্তমানে জামিনে বাইরে।
ওমর আবদুল্লাহ: জঙ্গিদের প্রতি সমবেদনা দেখিয়ে থাকেন নিয়মিত। কাশ্মীরি পণ্ডিতরা নাকি ঘরছাড়া হন কতকটা তাঁর জন্যই। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হত্যার অন্যতম ষরযন্ত্রকারী হিসেবে অভিযুক্ত ঠাকুরদা সেখ আব্দুল্লাহ।
তেজস্বী যাদব: বাবা লালুপ্রসাদ ঘোটালা কিং। বর্তমানে জেলে। নিজে আজ সকালেই আইআরসিটিসি-র বেআইনি লেনদেন কাণ্ডে ইডির জেরা সামলে এসেছেন। যে ঘোটালায় মা রাবড়িদেবীও অভিযুক্ত।
চন্দ্রবাবু নাইডু: একাধিক কাণ্ডে অভিযুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হতেই নিজের রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশে যাতে সিবিআই ঢুকতে না পারে তার ব্যবস্থা করেছেন।
অরবিন্দ কেজরিয়াল: নিজের দলের কাছেই অস্বচ্ছ ব্যক্তিত্ব। অভিযোগ, কেজরিয়াল খালিস্তানি জঙ্গিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন।
এও অবশ্য সব না। স্বল্প পরিসরে সবার কথা বলা হল না। তবে ভারতীয় রাজনীতির একটা বড় অংশে যে আজ দুর্নীতিগ্রস্তরাই রাজ করছেন তা সাধারণ মানুষ জানেন। যাই হোক, আসল কথা হল এরা আজ ব্রিগেড ‘আলো’ করে মমতাদিদির সঙ্গে মঞ্চে আছেন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news