Breaking News
Home / TRENDING / বয়কট চিন : সরকারি কাজেও শুরু হল চিনকে প্রত্যখ্যানের প্রক্রিয়া

বয়কট চিন : সরকারি কাজেও শুরু হল চিনকে প্রত্যখ্যানের প্রক্রিয়া

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

বিগত ৪৫ বছরের ইতিহাসে প্রাণহানির কুৎসিততম নজির গড়ল লাদাখের গালওয়ান ঘাঁটি। পূর্ব লাদাখে ওই উপত্যকায় ভারতীয় ভূখণ্ড রক্ষা করতে গিয়ে চিন পিপলস লিবারেশন আর্মির অতর্কিত হামলায় শহিদ হয়েছেন ২০ জন ভারতীয় জওয়ান। তারপর থেকেই ভারতে তীব্র হচ্ছে চিনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। এহেন অবস্থায় সামরিক স্তর ছাড়াও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও চিনকে নাস্তানাবুদ করতে প্রস্তুত ভারত। সরকার সূত্রে খবর, গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের আবহে দেশে পরিকাঠামো নির্মাণে জড়িত একাধিক চিনা সংস্থার বরাত বাতিল করতে পারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার। এগুলির মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, দিল্লি-মীরাট আরআরটিসি (Regional Rapid Transit System) প্রকল্প।

এই প্রজেক্টের আওতায় নিউ অশোকনগর থেকে সাহিবাবাদ পর্যন্ত প্রায় ৫.৬ কিলোমিটার আন্ডারগ্রাউন্ড রাস্তা তৈরি হবে। এর জন্য নিয়ম মাফিক টেন্ডার ডাকা হয়। জুনের ১২ তারিখ প্রক্রিয়া শেষে দেখা যায় ‘লোয়েস্ট বিডার’ বা সবথেকে কম মূল্যে সুড়ঙ্গটি নির্মাণ করার দাবি পেশ করেছে চিনা সংস্থা এসটিইসি (Shanghai Tunnel Engineering Co Ltd)। ১,১২৬ কোটি টাকায় কাজটি করতে রাজি হয়েছে সংস্থাটি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারতীয় সংস্থা লারসেন অ্যানড টুবরো (Larsen & Toubro Ltd )। তাঁরা এই কাজের জন্য ১ হাজার ১৭০ কোটি টাকা খরচের খতিয়ান দিয়েছে। ফলে নিয়ম মতে টেন্ডারটি পাচ্ছে চিনা সংস্থা।

কিন্তু সোমবার গালওয়ান ঘাঁটিতে লাল ফৌজের সঙ্গে রক্তাক্ত সংঘর্ষের পর চিনা সংস্থাগুলিকে দেওয়া টেন্ডার বাতিল হতে পারে। সেগুলির জায়গায় ভারতীয় সংস্থাগুলিয়েক কাজের বরাত দেওয়া হবে। আগামী ১৯ জুন গোটা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে সর্বদল বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই আলোচনায় চিনের বিরুদ্ধে অর্থনীতিক পদক্ষেপ নিয়েও বিরোধী দলনেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী বলে খবর। প্রসঙ্গত। গত এপ্রিল মাসেই দেশের স্থলসীমান্ত লাগোয়া দেশগুলোর সঙ্গে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ নীতি পরিবর্তন করেছে কেন্দ্র। ভারতের সঙ্গে স্থল সীমান্ত রয়েছে এমন দেশগুলোর জন্য দু’ধরনের এফডিআই নীতি রয়েছে। পাকিস্তান ও বাংলাদেশি সংস্থা বা ব্যক্তি সরকারের অনুমোদন ছাড়া বিনিয়োগ করতে পারত না। অন্যদিকে, চিন, নেপাল, ভুটান, মায়ানমারের জন্য আগাম অনুমতি লাগত না। কিন্তু নয়া নীতিতে দ্বিতীয় ক্ষেত্রের দেশগুলোর জন্যও আগাম সরকারি অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেই অনুমতি প্রসঙ্গে নিজেদের আপত্তির কথা আগেই জানিয়েছে চিন। কিন্তু, লাদাখের সংঘর্ষের ঘটনায় চিনের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি হয়েছে ভারতে। যার ফলস্বরূপ, ভারতে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক দিচ্ছে দেশের জনতাই।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *