জয় ঘোষ
“মিশন- ২০২১“! তাই এবার বড়সড় রদবদলের মুখে রাজ্য বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের রাজ্য কমিটির ২০০ জন সদস্যের মধ্যে ৮০ জন সদস্যকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করল রাজ্য নেতৃত্ব। সেই সুপারিশ ইতিমধ্যেই দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ও কার্যকরী সভাপতি জে পি নাড্ডা ও বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। বঙ্গ বিজেপি ইতিহাসে এই প্রথম একসঙ্গে ৮০ জনকে রাজ্য কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। অমিত শাহের নির্দেশেই এই পরিবর্তন হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ২০২১ বাংলা দখলের ক্ষেত্রে দলকে আরও মজবুত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।
কেন রাজ্য কমিটির থেকে একসঙ্গে ৮০ জন সদস্যকে বাদ দেওয়া হল?
মূলত, দীর্ঘদিন ধরে দলে থেকেও দলের কাজে নিষ্ক্রিয়, এমন সদস্যদেরই বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই ৮০ জন সদস্যদের মধ্যে বেশকিছু বয়স্ক সদস্যও রয়েছেন। যারা নামে মাত্র সদস্য। বিজেপির রাজ্য কমিটিতে দীর্ঘদিন ধরে সদস্য পদে আছেন। কিন্তু পার্টিতে কোনও দিনই সক্রিয় নয়। এমন কী বিজেপির বৈঠকেও অনুপস্থিত থাকেন। সেই সদস্যরা বাদ পড়তে চলেছেন।
এই তালিকায় রয়েছেন অশীতিপর অভিনেতা নিমু ভৌমিক, যাদুকর পি সি সরকার, প্রখ্যাত গায়ক বাপ্পী লাহিড়ীর মতো ব্যক্তিত্বরা। নামে বড় হলেও, দলে কাজ না করায় এদের বাদ পড়া প্রায় নিশ্চিত। সূত্রের খবর, বিজেপির এক কেন্দ্রীয় সম্পাদকের ঘনিষ্ট বেশকিছু নেতাকেও রাজ্য কমিটিতে থেকে পুরো ছেঁটে ফেলা হচ্ছে। কারণ, তাঁরা দলের কোনও কাজেই সক্রিয় নন বলেই বিজেপির একটি গোষ্ঠীর অভিযোগ । বিজেপির যে কোনও বড় কর্মসূচিতেও তাঁদের দেখা যায় না বলেও খবর। রাজ্য কমিটিতে বর্তমানে ৫ জন সাধারণ সম্পাদক পদে আছে। তার মধ্যে দেবশ্রী চৌধুরিকে আগেই মন্ত্রী হওয়ায় সেই পদ শূন্য। সাধারণ সম্পাদক পদে কমপক্ষে ২ জন বাদ যাওয়ার সম্ভবনা আছে। সেখানে নতুন মুখ আসার সম্ভবনা প্রবল।
বিজেপির একটি সূত্র বলছে, দক্ষিণবঙ্গের প্রান্থ প্রচারক বিদ্যুৎ মুখোপাধ্যায়কে সঙ্ঘ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার তাঁকে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ মুখোপাধ্যায় সাধারণ সম্পাদক হলে দলে সঙ্ঘের নিয়ন্ত্রন আরও বাড়বে। জঙ্গীপুরের বিজেপি প্রার্থী সিপিএমের দুই বারের বিধায়ক মাফুজা খাতুন রাজ্য কমিটিতে জায়গা পেতে পারেন। তুষার ঘোষকে সাম্পাদক থেকে সাধারণ সম্পাদক করা হতে পারে। রাজ্যের সাধারান সম্পাদকের দৌড়ে দীপাঞ্জন গুহ, জয়প্রকাশ মজুমদারের নাম নিয়েও কানাঘুষো চলছে দলের অন্দরে। লকেট চট্টোপাধ্যায়ের জায়গায় মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী হচ্ছেন ভারতী ঘোষ। যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি দেবজিৎ সরকারকেও দল সরিয়ে দিচ্ছে। যুব মোর্চার সভাপতি হওয়ার দৌড়ে আছেন, দলের মিডিয়া শাখার কনভেনার সপ্তশ্রী চৌধুরি, যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক তাপস ঘোষ, যুব মোর্চার সহ সভাপতি প্রকাশ দাস ও বাঁকুড়া জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সৌগত পাত্র। এছাড়া বিজেপির ১০ জন জেলা সভাপতিকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সেই পদে নতুন মুখ দেখা যাবে।
মূলত, লোকসভা নির্বাচনে কাজ না করার জন্য তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই ১০টি জেলার মধ্যে হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, কলকাতার মত জেলার সভাপতিদের সরিয়ে দেওয়া হবে। নতুন নামের তালিকাও তৈরি হয়ে গিয়েছে বলে খবর। সূত্রের খবর, বিজেপির সদস্যতা অভিযান কর্মসূচি শেষ হলে সাংগঠনিক স্তরে এই পরিবর্তন ধাপে ধাপে শুরু হয়ে যাবে। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ( সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ” ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচণ আমাদের মূল লক্ষ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন সত্যি করতে গেলে নিষ্ক্রিয় কর্মীদের দলে রেখে লাভ কী? যারা দলে সক্রিয়। যারা ভালো কাজ করছে। তাদের দল গুরুত্ব দেবে। এটা তো স্বাভাবিক। “
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news
বাঁকুড়া টা একটু দেখুন
Yes.
It’s very essential for reforms /change and appoint are new active bombers. 2021 is very important for us.
Thanks a lote.
Can I get all medicines whatever I want?
Very good
Come on
Very good
Come on B J P
Joy Shri Ram
I agree with this decision.Because those teams are doing well, giving them the opportunity to do good work with integrity.But it would not be right to expel them from the team who are doing good work in love with the team.
Yes