দেবক বন্দ্যোপাধ্যায়:
ডিসেম্বরের মাঝামাঝি
উঠিবে বাজনা বাজি!
রাজ্য বিজেপির অন্দরে রদবদলের বাদ্যি প্রস্তুত শুধুমাত্র বেজে ওঠার অপেক্ষা! পুজোর আগেই যে বাজনা বেজে ওঠার কথা ছিল সে বাজনা বাজেনি। তারপর শোনা গেল নভেম্বর বিপ্লবের মাসে মুরলীধরে হবে পরিবর্তন, না তাও হয়নি। সাম্প্রতিকতম আপডেট বড়দিনের মাসেই বড় খবর রাজ্য বিজেপিতে। দিলীপ ঘোষের সভাপতির আসন এখনও আপাতভাবে সুরক্ষিত। তবে উপনির্বাচনের ফলাফলের ওপর কিছুটা হলেও তাঁর স্থায়িত্ব নির্ভর করছে বলে শোনা যাচ্ছে। বিশেষ করে খড়গপুরের নির্বাচনেই নাকি দিলীপ ঘোষের মাথার ওপর ঝুলে রয়েছে খড়গ! ফল খারাপ হলে সেই খড়গ নাকি টুপ করে নেমে আসবে দিলীপের সভাপতিত্বের আসনে। সে যাই হোক! আপাতত দিলীপ যেমন আছেন তেমনই থাকবেন। তাঁর সঙ্গে রাজ্য বিজেপিতে সক্রিয় হয় উঠবেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, মোহন ভাগবত ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক রন্তিদেব সেনগুপ্ত এবং মোদী ঘনিষ্ঠ সংগঠক বিধান কর। মুকুল রায়কে সর্বভারতীয় বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক করে রাজ্যে পর্যবেক্ষক করা হবে বলে খবর। মুকুল যেহেতু খাতায় কলমে এখন দিল্লির ভোটার তাই এই কাজ করাটা সহজও হবে। সঙ্ঘের নেতা জিষ্ণু বসুকে দলে নিয়ে আসা হবে বলেও খবর রয়েছে। তাঁকে কার্যকরী সভাপতি করা হবে নাকি রন্তিদেব সেনগুপ্তকে তা এখনও স্পষ্ট নয়। সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে কেন্দ্রীয় স্তরে বড় দায়িত্ব দিয়ে জিষ্ণু বসুকে সেই জায়গায় আনা হতে পারে। রন্তিদেব সেনগুপ্তকে করা হতে পারে কার্যকরী সভাপতি। আবার বিধান করকে যদি সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় তাহলে জিষ্ণু বসুকে কার্যকরী সভাপতি করা হতে পারে। এক্ষেত্রে মনে রাখা ভাল বিজেপির রাজনীতিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদটি কার্যত সবচেয়ে ক্ষমতাবান পদ আর কার্যকরী সভাপতি মানে তিনিই ভবিষ্যতের সভাপতি।
মোট কথা একুশের লক্ষ্যে এই রাজ্যে নতুন টিম নিয়ে নামছেন অমিত শাহ। ২০২০-র শুরু থেকেই খেলা শুরু।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news