জয় ঘোষ
বিজেপির চিন্তন বৈঠকে আদি-নব্য সদস্যদের বৈঠকে ডাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৈঠকে মাএ ৪১ জন ডাক পেয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত ১৮ জন সাংসদের মধ্যে মাত্র ৭ জন ডাক পেয়েছেন। তা নিয়ে দলের অন্দরে চাপা ক্ষোভ তৈরিও হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে কেউ মুখ খুলতে চায়নি। পরে সৌমিত্র খাঁ, ভারতী ঘোষ, মাফুজা খাতুনকে ডেকে নেওয়া হয়। যদিও এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সাফাই, “সাংসদের এখন সদস্যতা অভিযান কর্মসূচিতে বেশী করে মন দিতে হবে। তাই যে সাংসদকে আমাদের বৈঠকে প্রয়োজন, তাদেরই ডাকা হয়েছে।” তবে বিজেপির জাতীয় কর্ম সমিতির সদস্য জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ” আমাকে এই বৈঠকে ডাকা হয়নি। তাই আমি এই বৈঠকে উপস্থিত হইনি।” বৈঠকে ডাক পাওয়া নিয়ে একপ্রকার ক্ষোভ উগরে দেন এই অভিনেতা।
বিজেপি সূত্রে খবর, শনিবার দূর্গাপুরে বিজেপির চিন্তন বৈঠকে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সাধারাণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, “কাশ্মীরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যে সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে। তা বাংলার মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। শ্যামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মবলিদান যে বিফল হয়নি। তা বাংলার মানুষের কাছে তুলে ধরুন। কাশ্মীরে কেন্দ্রীয় সরকার যে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সেটা রাজ্যের সব শ্রেনীর মানুষের কাছে তুলে ধরা অবশ্যক।”
বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শিবপ্রকাশ বলেন, “বিজেপির সদস্যতা অভিযানে একজন রিকশা চালক বা একজন সাধারণ কৃষকের বাড়িতেও আপনারা বিজেপির সদস্যতা অভিযানের ফর্ম নিয়ে বাড়িতে পৌচ্ছে যান। কোনও ভেদাভেদ করবেন না। বিজেপির সদস্যতা বুথ স্তর থেকে শুরু করুন। এলাকার শিক্ষক, আইনজীবি, অধ্যাপক সবার দরজায় বিজেপির সদস্যতা অভিযানের ফর্ম নিয়ে পৌচ্ছে যান। যদি আমরা এবার ঠিক করে জনসংযোগ করতে করতে পারি। সামাজের সব শ্রেনীর মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারি। তা হলে ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে আমরা তৃণমূলকে কড়া টক্কর দিতে পারব।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news